ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

সকাল-সন্ধ্যা হরতাল:বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় পুলিশি অভিযান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ ৩৩৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গণসমাবেশে সংঘর্ষের পর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের দিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। রোববার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার বাসায় অভিযান চালানো হয়।

আজ সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুলশানের বাসায় অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সকাল থেকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়ি ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ৬টার দিকে বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালালে তাকে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। আমির খসরু বাড়িতে না থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের শান্তিনগরের বাসায়, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের পল্লবীর বাসায় ও যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গুলশানের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। মহাসমাবেশ শুরুর আগে দুপুর থেকে কাকরাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ বিজয়নগর জলের ট্যাঙ্ক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য ও যুবদলের এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ৪১ পুলিশ ও ২৫ আনসার সদস্য আহত হয়। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ সাংবাদিক।

সংঘর্ষের সময় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, বাস, মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে মোট ৫৫টি গাড়িতে। হামলা হয় কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে। এছাড়া কাকরাইল, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড় ও শান্তিনগর এলাকার সাতটি পুলিশ বক্স পোড়ানো হয়। কমলাপুরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

সকাল-সন্ধ্যা হরতাল:বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় পুলিশি অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গণসমাবেশে সংঘর্ষের পর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের দিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। রোববার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার বাসায় অভিযান চালানো হয়।

আজ সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুলশানের বাসায় অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সকাল থেকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়ি ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ৬টার দিকে বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালালে তাকে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। আমির খসরু বাড়িতে না থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের শান্তিনগরের বাসায়, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের পল্লবীর বাসায় ও যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গুলশানের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। মহাসমাবেশ শুরুর আগে দুপুর থেকে কাকরাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ বিজয়নগর জলের ট্যাঙ্ক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য ও যুবদলের এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ৪১ পুলিশ ও ২৫ আনসার সদস্য আহত হয়। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ সাংবাদিক।

সংঘর্ষের সময় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, বাস, মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে মোট ৫৫টি গাড়িতে। হামলা হয় কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে। এছাড়া কাকরাইল, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড় ও শান্তিনগর এলাকার সাতটি পুলিশ বক্স পোড়ানো হয়। কমলাপুরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।