ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে ব্লক রেইড কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ২৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ২১ এপ্রিল ২০২৬ ।।
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত ব্লক রেইড পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), ডিএমপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সম্প্রতি ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মোহাম্মদপুর, শের-ই-বাংলা নগর, আদাবর, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও হাতিরঝিল থানার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় ব্লক রেইড চালানো হয়।

ডিএমপির তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজধানীতে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯ হাজার ২৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৩০৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ওই মাসে রাজধানীর ১১টি থানা মিলে ২ হাজার ৬২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরে ৬৭৪, হাজারীবাগে ৪৯৪, নিউমার্কেটে ৫১, মিরপুরে ৪৬৯, শাহবাগে ১৫৯, বংশালে ১৩২, লালবাগে ১২৮, উত্তরা পশ্চিমে ২৩৪, ধানমন্ডিতে ৬৭, বাড্ডায় ১১৫ এবং মতিঝিলে ১০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো, ধারাবাহিক অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং পুলিশ-জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো।

তিনি আরও জানান, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্ত এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা আরও উন্নত করতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরও উন্নতির পথে রয়েছে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) খুন, অর্থপাচার, সাইবার অপরাধ, জালিয়াতি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণসহ বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সক্রিয় রয়েছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৬টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ২টি মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত।

র‌্যাবের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারিতে ৬২৭ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৪৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মার্চে ৮৫২ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৯৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি কাজ করছে। প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও তারা সহায়তা দিচ্ছে। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, মার্চ মাসে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মার্চ মাসে বিভিন্ন অপরাধে ৬৭৩ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি হত্যা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

নিউমার্কেট থানার ওসি মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে একাধিক টিম কাজ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আগের তুলনায় জনগণ আরও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমিন জানান, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং সব কার্যক্রম আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এলাকায় পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো রয়েছে, তবে তা আরও উন্নত করতে কাজ চলছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ট্যাগস :

রাজধানীতে ব্লক রেইড কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ২১ এপ্রিল ২০২৬ ।।
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ‘ব্লক রেইড’ অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত ব্লক রেইড পরিচালনা করা হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), ডিএমপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সম্প্রতি ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মোহাম্মদপুর, শের-ই-বাংলা নগর, আদাবর, তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা ও হাতিরঝিল থানার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় ব্লক রেইড চালানো হয়।

ডিএমপির তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে রাজধানীতে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৯ হাজার ২৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৩০৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ওই মাসে রাজধানীর ১১টি থানা মিলে ২ হাজার ৬২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরে ৬৭৪, হাজারীবাগে ৪৯৪, নিউমার্কেটে ৫১, মিরপুরে ৪৬৯, শাহবাগে ১৫৯, বংশালে ১৩২, লালবাগে ১২৮, উত্তরা পশ্চিমে ২৩৪, ধানমন্ডিতে ৬৭, বাড্ডায় ১১৫ এবং মতিঝিলে ১০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো, ধারাবাহিক অভিযান, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং পুলিশ-জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই ভালো।

তিনি আরও জানান, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ প্রতিরোধ ও তদন্ত এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।

ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা আরও উন্নত করতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রযুক্তির সহায়তায় অপরাধীদের অবস্থান শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি আরও উন্নতির পথে রয়েছে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) খুন, অর্থপাচার, সাইবার অপরাধ, জালিয়াতি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণসহ বিশেষায়িত ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সক্রিয় রয়েছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বিভিন্ন অপরাধে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৬টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে ২টি মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত।

র‌্যাবের তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারিতে ৬২৭ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৪৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মার্চে ৮৫২ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৯৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক, নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি কাজ করছে। প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও তারা সহায়তা দিচ্ছে। বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, মার্চ মাসে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মার্চ মাসে বিভিন্ন অপরাধে ৬৭৩ জনকে গ্রেপ্তার এবং ৭ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি হত্যা মামলার আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

নিউমার্কেট থানার ওসি মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে একাধিক টিম কাজ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আগের তুলনায় জনগণ আরও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছে।

বাড্ডা থানার ওসি কাজী মো. নাসিরুল আমিন জানান, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং সব কার্যক্রম আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এলাকায় পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো রয়েছে, তবে তা আরও উন্নত করতে কাজ চলছে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।