ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার Logo বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ফয়সল আলিম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন Logo আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস Logo ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে ইরান, দাবি সেন্টকমের Logo ভূমিকম্প সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সতর্ক অবস্থান, যান চলাচল স্বাভাবিক Logo আইফায় ১২ পুরস্কার জিতল ধুরন্ধর, কার হাতে উঠল কোন পুরস্কার? Logo সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ফখর জামান Logo Logo বিক্ষোভ করা শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ, যান চলাচল স্বাভাবিক

বিজয়নগরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পৃথক মামলা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা  অমান্য করে চালাচ্ছে নির্মাণ কাজ 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ২৬২ বার পঠিত
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কাজিমুড়া গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। পৈতৃক বসতভিটার হক বঞ্চিত করতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে  আপন ভাইয়েরা। উক্ত বিরোধের জেরে দুই বোন পৃথক সময়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪/১৪৫ ধারায় দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলাটি গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে শরিফা বেগম দায়ের করেন। পরে ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে একই সম্পত্তি নিয়ে নিলুফা আক্তার পৃথক আরেকটি মামলা করেন। উভয় মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কাজিমুড়া মৌজার বিএস খতিয়ান নং-৫২ এবং দাগ নং-১১৮, ১১৯ ও ১২৫-এর জমি জোরপূর্বক দখলচেষ্টা, অনুপ্রবেশ এবং সংঘর্ষের আশঙ্কার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত দুটি মামলাতেই বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে ওসি তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এস আই জালালকে দায়িত্ব দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, তদন্তের শুরুতে এসআই জালাল বিরোধপূর্ণ জমিতে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে তাদের বক্তব্য শোনেন। এ সময় বিবাদীপক্ষের হয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসাইন ৭ দিনের মধ্যে গ্রামে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন।
তবে বাদীপক্ষের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সালিশ হয়নি। বরং বিবাদী বিদেশে চলে যান, সালিশে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে পুনরায় বিরোধপূর্ণ জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করেন, মামলার বিবাদী আপন ভাইয়েরা।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে যে কোনো সময়, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিবাদীর বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে তাদের কে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসাইন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি থানায় গিয়েছি, জালাল দারোগার সাথে কথা বলে মিমাংসা করে দেবো আশ্বস্ত করেছিলাম, কিন্তু বিবাদী বাড়ি এসে বলেন আমি বিচার মানিনা। বলে বিবাদী বিদেশে চলে গিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাই বিজয়নগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জালাল জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার প্রক্রিয়াধীন আছে।
ট্যাগস :

বিজয়নগরে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে পৃথক মামলা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা  অমান্য করে চালাচ্ছে নির্মাণ কাজ 

আপডেট সময় : ০৫:২৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কাজিমুড়া গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। পৈতৃক বসতভিটার হক বঞ্চিত করতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে  আপন ভাইয়েরা। উক্ত বিরোধের জেরে দুই বোন পৃথক সময়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪/১৪৫ ধারায় দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রথম মামলাটি গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে শরিফা বেগম দায়ের করেন। পরে ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে একই সম্পত্তি নিয়ে নিলুফা আক্তার পৃথক আরেকটি মামলা করেন। উভয় মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কাজিমুড়া মৌজার বিএস খতিয়ান নং-৫২ এবং দাগ নং-১১৮, ১১৯ ও ১২৫-এর জমি জোরপূর্বক দখলচেষ্টা, অনুপ্রবেশ এবং সংঘর্ষের আশঙ্কার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত দুটি মামলাতেই বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে ওসি তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এস আই জালালকে দায়িত্ব দেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, তদন্তের শুরুতে এসআই জালাল বিরোধপূর্ণ জমিতে চলমান নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে তাদের বক্তব্য শোনেন। এ সময় বিবাদীপক্ষের হয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসাইন ৭ দিনের মধ্যে গ্রামে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আশ্বাস দেন।
তবে বাদীপক্ষের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সালিশ হয়নি। বরং বিবাদী বিদেশে চলে যান, সালিশে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে পুনরায় বিরোধপূর্ণ জমিতে নির্মাণকাজ শুরু করেন, মামলার বিবাদী আপন ভাইয়েরা।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে যে কোনো সময়, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিবাদীর বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে তাদের কে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হোসাইন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি থানায় গিয়েছি, জালাল দারোগার সাথে কথা বলে মিমাংসা করে দেবো আশ্বস্ত করেছিলাম, কিন্তু বিবাদী বাড়ি এসে বলেন আমি বিচার মানিনা। বলে বিবাদী বিদেশে চলে গিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাই বিজয়নগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই জালাল জানায়, এই ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার প্রক্রিয়াধীন আছে।