ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আশুগঞ্জে খাল পুনঃখননে সাশ্রয়, ৬৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত Logo চট্টগ্রামে অনারের ব্র্যান্ডশপ, উদ্বোধনে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করল হিউম্যানয়েড রোবট Logo টঙ্গীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু Logo টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেফতার Logo মামলার নথি পাঠিয়ে টাকা দাবি, লেনদেন হয় বিকাশে তবুও আসামী যুবলীগ নেতা Logo ময়মনসিংহে ট্রাকের সাথে অটোর সংঘর্ষ নিহত ৩ Logo পটুয়াখালীতে গৃহবধূ তানিয়া হত্যা:প্রতিবাদে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন! Logo গৌরনদীতে মাদকসেবীকে ছয় মাসের কারাদন্ড Logo নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বিক্ষোভ মিছিল ও কর্ম বিরতি  Logo বগুড়ার কাহালুতে পুকুরে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির ৬২.০২% ও জামায়াতের ১৫.৯৪% এমপি ঋণে জড়িত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২৯৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমাবার ।। ১৬.০২.২০২৬ ।।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। এই তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্যদের ৬২.০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ১৫.৯৪ শতাংশ সদস্য দায় ও ঋণগ্রস্ত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এর পরিমাণ দশম সংসদে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬২৪ কোটি, একাদশ সংসদে ৬ হাজার ৪২৩ কোটি এবং দ্বাদশ সংসদে ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকায়। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

দলভিত্তিক হিসেবে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্য দায় বা ঋণগ্রস্ত। বিএনপির এমপিদের মধ্যে এই হার ৬২.০২ শতাংশ, আর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫.৯৪ শতাংশ।

সংসদভিত্তিক তুলনায় দেখা যায়, নবম সংসদে দায় ও ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার ছিল ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১.৩০ শতাংশ, দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ এবং ত্রয়োদশ সংসদে তা সামান্য কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে এসেছে।

এছাড়া, টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচিত সদস্যদের ৬৭.৩৪ শতাংশের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। ৪৮ জনের বার্ষিক আয় কোটি টাকার ওপরে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রায় ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে প্রচারণার সময় তথ্যবিহীন প্রচারণামূলক উপকরণ ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল ও শো-ডাউন, এবং পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মতো লঙ্ঘন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ক্ষতি করার ঘটনা পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছ।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মোট ৫৮টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সব দলের প্রার্থীই অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এ ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগস :

ত্রয়োদশ সংসদে বিএনপির ৬২.০২% ও জামায়াতের ১৫.৯৪% এমপি ঋণে জড়িত

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমাবার ।। ১৬.০২.২০২৬ ।।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ঘোষিত মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা পূর্ববর্তী চারটি সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। এই তথ্য জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্যদের ৬২.০২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ১৫.৯৪ শতাংশ সদস্য দায় ও ঋণগ্রস্ত।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নবম জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণ ছিল ১ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। এর পরিমাণ দশম সংসদে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬২৪ কোটি, একাদশ সংসদে ৬ হাজার ৪২৩ কোটি এবং দ্বাদশ সংসদে ১০ হাজার ৩৯২ কোটি টাকায়। সর্বশেষ ত্রয়োদশ সংসদে এই অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

দলভিত্তিক হিসেবে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্য দায় বা ঋণগ্রস্ত। বিএনপির এমপিদের মধ্যে এই হার ৬২.০২ শতাংশ, আর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৫.৯৪ শতাংশ।

সংসদভিত্তিক তুলনায় দেখা যায়, নবম সংসদে দায় ও ঋণগ্রস্ত সদস্যের হার ছিল ৫৩.৬৮ শতাংশ, দশম সংসদে ৫৬.০১ শতাংশ, একাদশ সংসদে ৫১.৩০ শতাংশ, দ্বাদশ সংসদে ৫২ শতাংশ এবং ত্রয়োদশ সংসদে তা সামান্য কমে ৪৯.৮৩ শতাংশে এসেছে।

এছাড়া, টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচিত সদস্যদের ৬৭.৩৪ শতাংশের বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকার বেশি। ৪৮ জনের বার্ষিক আয় কোটি টাকার ওপরে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রায় ৯৯ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এর মধ্যে প্রচারণার সময় তথ্যবিহীন প্রচারণামূলক উপকরণ ব্যবহার, যানবাহনসহ মিছিল, মশাল মিছিল ও শো-ডাউন, এবং পাঁচজনের বেশি সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মতো লঙ্ঘন অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার বা ফেস্টুন ক্ষতি করার ঘটনা পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছ।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, মোট ৫৮টি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সব দলের প্রার্থীই অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এ ধরনের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।