সংবাদ শিরোনাম :
সরাইলে টেঁটা-লাঠিসোঁটা ফেলে শান্তির টেবিলে দুই পক্ষ।
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৮:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৭৮ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা ও নিহতের ঘটনার জের ধরে তিনদিন ধরে চলা সংঘর্ষ বন্ধে আশ্বাস দিয়েছে সরাইল উপজেলার দুই গ্রামবাসী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজের হস্তক্ষেপে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দেয় কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামবাসী। একই সাথে আইনি প্রক্রিয়ায় ন্যায় বিচারের দাবি জানান তারা।
বিকালে জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন রিপন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আলী আজম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি তাজুল ইসলাম, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারসহ বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ গ্রামের সাহেব সর্দারদের নিয়ে গ্রামে শান্তি বজায় রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
গ্রামের লোকজনদের জানমালের নিরাপত্তা ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নেতৃবৃন্দ প্রথমে সূর্যকান্দি গ্রামে যান। সেখানে গ্রামবাসীর সাথে আলোচনা করে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পরে তারা ধরন্তী গ্রামে যান।
সেখানে তারা সংঘর্ষে নিহত খাদিম মিয়ার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সমবেদনা জানিয়ে ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেন।
একই সাথে ধরন্তী গ্রামবাসীর সাথেও সমাবেশ করে সংঘর্ষ বন্ধে আহ্বান জানান। এ সময় গ্রামবাসীরা খাদেম মিয়া হত্যা মামলার ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আশ্বাস দেয়।
জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, “ তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূর্যকান্দি ও ধরন্তি গ্রামবাসী গত তিনদিন ধরে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আমরা উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন আর সংঘর্ষে জড়াবেন না। বরং আইনিভাবে তারা তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান। প্রসঙ্গত, সূর্যকান্দি গ্রামের মোশাররফ মিয়া ধরন্তী গ্রামের খাদিম মিয়া, আলাল ও আশিকের কাছে বিলের পাটি বিক্রীর এক লক্ষ টাকা পাওনা ছিলেন।”
গেল রবিবার খাদিম মিয়া মোশারফ মিয়ার পাওনা পরিশোধে আপত্তি করলে সূর্যকান্দি ও ধরন্তী গ্রামবাসীর সংঘর্ষ হয়। এতে ধরন্তী গ্রামের খাদিম মিয়া নিহত হয়। এর জের ধরে সোমবার ও মঙ্গলবার ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায় দুই দল গ্রামবাসী। টানা তিনদিনের সংঘর্ষে পুলিশসহ শতাধিক আহত হয়।












