ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি Logo রাজাপুরের উত্তর উত্তমপুর গ্রামে ২ কিলোমিটার রাস্তা মরণফাঁদ, বর্ষায় চরম ভোগান্তিতে শত শত শিক্ষার্থী Logo মাদকে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেই আগে ব্যবস্থা: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান Logo নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে তদন্তে পুলিশ Logo বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

রাজাপুরের উত্তর উত্তমপুর গ্রামে ২ কিলোমিটার রাস্তা মরণফাঁদ, বর্ষায় চরম ভোগান্তিতে শত শত শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৮৯ বার পঠিত

হাওলাদার বেলাল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অযত্নে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার হাজারো মানুষ। বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তর উত্তমপুর গ্রামের খলিল বেপারীর বাড়ি থেকে কামিল হাওলাদার বাড়ি হয়ে উত্তর উত্তমপুর ফকির মার্কেট পর্যন্ত মাটি ও ইটের সলিং করা রাস্তাটির বেহাল দশা এখন এলাকাবাসীর কাছে আতঙ্কের নাম।
এলাকাবাসী জানান, যুগের পর যুগ ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। গাড়ি তো দূরের কথা, মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এই রাস্তাটিই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন আব্দুল মালেক ডিগ্রি কলেজ, আব্দুল মালেক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উত্তর উত্তমপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উত্তর উত্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা শহরে যাতায়াতকারী শত শত মানুষ এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় না থাকায় অনেক সময় রোগী পথিমধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্থানীয়রা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। কাদার মধ্যে পড়ে বই-খাতা নষ্ট হয়। একটু অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স আসার কোনো সুযোগ নেই এই রাস্তায়। জনপ্রতিনিধিদের বারবার বলেও কোনো লাভ হয়নি। দেখার যেন কেউ নেই, আমাদের এই দুর্ভোগ। দ্রুত রাস্তাটি পাকা ও সংস্কার করা না হলে এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরো বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বড়ইয়া এলাকাবাসী।

ট্যাগস :

রাজাপুরের উত্তর উত্তমপুর গ্রামে ২ কিলোমিটার রাস্তা মরণফাঁদ, বর্ষায় চরম ভোগান্তিতে শত শত শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

হাওলাদার বেলাল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও অযত্নে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার হাজারো মানুষ। বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তর উত্তমপুর গ্রামের খলিল বেপারীর বাড়ি থেকে কামিল হাওলাদার বাড়ি হয়ে উত্তর উত্তমপুর ফকির মার্কেট পর্যন্ত মাটি ও ইটের সলিং করা রাস্তাটির বেহাল দশা এখন এলাকাবাসীর কাছে আতঙ্কের নাম।
এলাকাবাসী জানান, যুগের পর যুগ ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে সয়লাব হয়ে যায়। গাড়ি তো দূরের কথা, মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে। এই রাস্তাটিই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন আব্দুল মালেক ডিগ্রি কলেজ, আব্দুল মালেক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উত্তর উত্তমপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উত্তর উত্তমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী এবং বড়ইয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা শহরে যাতায়াতকারী শত শত মানুষ এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীদের। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় না থাকায় অনেক সময় রোগী পথিমধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্থানীয়রা বলেন, আমাদের ছেলে-মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। কাদার মধ্যে পড়ে বই-খাতা নষ্ট হয়। একটু অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স আসার কোনো সুযোগ নেই এই রাস্তায়। জনপ্রতিনিধিদের বারবার বলেও কোনো লাভ হয়নি। দেখার যেন কেউ নেই, আমাদের এই দুর্ভোগ। দ্রুত রাস্তাটি পাকা ও সংস্কার করা না হলে এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট আরো বাড়বে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বড়ইয়া এলাকাবাসী।