ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভিভো ভি৮০-এর রং, ডিজাইন ও ক্যামেরায় মুগ্ধ হবে সবাই! Logo স্ন্যাপড্রাগন ফাইভজি প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি Logo রামায়ণে মুসলিম আমেজের গান, জবাব দিলেন এ আর রহমান Logo নাহিদার অধিনায়কত্বের শুরুতেই দলে ফিরলেন সুমনা Logo ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল থাইল্যান্ড Logo আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকার আছে পুলিশের Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার Logo বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ফয়সল আলিম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন Logo আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস Logo ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে ইরান, দাবি সেন্টকমের

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৫৫ বার পঠিত

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।

ট্যাগস :

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।