সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৬:৪৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬ ৮১ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশের মাধ্যমে সাংবাদিক ইউনিয়ন পেশাগত মানোন্নয়ন, সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং জনস্বার্থে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে ইন্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি। বার্ণিজ্য মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামলকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পুনিয়াউটে অবস্থিত তাঁর বাসভবনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান বিটুর নেতৃত্বে সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায়। এ সময় সাংবাদিক নেতারা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সার্বিক উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুল আরেফিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহাদ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আহাদ, সদস্য হীরা আহমেদ জাকির। এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট মোঃ সফিকুল ইসলাম। ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করে সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহবুব শ্যামল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন,সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। সত্য তুলে ধরার মাধ্যমে সাংবাদিকরা সমাজকে আলোকিত করেন এবং অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলেন। তাই পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, নৈতিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জেলার সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা যথাযথভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরলে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত হবে। আমি সবসময় গঠনমূলক ও ইতিবাচক সাংবাদিকতার পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। তিনি বলেন,সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিদের লক্ষ্য একটাই জনগণের কল্যাণ। মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু জনস্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সমালোচনা অবশ্যই হবে, তবে তা হতে হবে তথ্যনির্ভর, দায়িত্বশীল ও জনকল্যাণমূলক। এতে রাষ্ট্র ও সমাজ উভয়ই উপকৃত হবে। এ সময় সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান বিটু বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও দায়িত্বশীল পেশা। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সাংবাদিকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাংবাদিক ইউনিয়ন ভবিষ্যতেও পেশাগত মানোন্নয়ন, সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং জনস্বার্থে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শামসুল আরেফিন বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ এবং একটি সুস্থ গণমাধ্যম পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। সাংবাদিকদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের ইতিবাচক সম্পর্ক জনগণের স্বার্থেই গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য সাংবাদিক নেতারাও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং জনসেবার মানোন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত। শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে উপস্থিত অতিথিরা সংসদ সদস্যের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং জেলার চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, গণমাধ্যমের ভূমিকা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।











