ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারতের পুনেতে জরুরি অবতরণের সময় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ Logo শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০এক্স Logo দীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং শক্তিশালী গরিলা গ্লাস ৭আই সুরক্ষা নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭ Logo ধামরাইয়ে দেপাশাই চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo ভূমিকম্প ঝুঁকি কমাতে ত্রুটিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রাজউক চেয়ারম্যান Logo মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময়।  Logo  কসবায় ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo আশুগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজট Logo ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার আটক

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিকদের সাজা চান এসপি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪ ২৫২ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে সাংবাদিকদের সাজা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ। একই সঙ্গে প্রেসক্লাব সভাপতিকে সাংবাদিকদের ছবিসহ তালিকা দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। প্রেসক্লাবের বাইরে যারা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে সাংবাদিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে এই মন্তব্য করেন জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ।

ঐ সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যের একটি অংশ ছিল: “কে সাংবাদিক আমরা জানি। ধরুন, আমি এখানে কালের কণ্ঠ পত্রিকার (উদাহরণস্বরূপ) সাংবাদিক। একটি জাতীয় পত্রিকার জেলায় সর্বোচ্চ ১ জন অথবা ২ জন প্রতিনিধি থাকবে। কিন্তু কেউ যদি ইউনিয়ন পর্যায়ের কালের কণ্ঠ (উদাহরণস্বরূপ) প্রতিনিধি পরিচয় দেয়, তাহলে এভাবে পুরো জেলায় একশ থেকে দুইশ সাংবাদিক হয়ে যাবে।।তিনি আরও বলেন,”চিন্তা করতে হবে ঢাকা জেলা কেন্দ্রীক কতজন সাংবাদিক কাজ করে। এখন একজন সাংবাদিক যার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেও সম্পাদক হয়ে গেছে। আমি সাংবাদিক হওয়ার জন্য আমার লেখাপড়ার যোগ্যতা না থাকা মানা যেতে পারে। কিন্তু একজন এডিটর বা চিফ এডিটর অবশ্যই যোগ্য হতে হবে। একটি সংবাদপত্রের অনুমোদন পেতেও নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড ফলো করতে হয়। যেমন, ওষুধের দোকান চালাতে হলে ফার্মাসিস্ট লাইসেন্স লাগে। এই বিষয়টি আমরা প্রেসক্লাব সভাপতি বা রিপোর্টার্স ইউনিটি অথবা জেলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকার বাইরের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা যায়। অথবা সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া যায়।”তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”আমরা একটা তালিকা করি, মাহবুব ভাই। এটা কি সম্ভব?”
সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া, এসপির এমন বক্তব্যে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা ফুঁসে উঠেছেন। কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল বলেন, “আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সাংবাদিকদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে মূলধারার সাংবাদিকেরা মর্মাহত।

ট্যাগস :

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিকদের সাজা চান এসপি

আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে সাংবাদিকদের সাজা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ। একই সঙ্গে প্রেসক্লাব সভাপতিকে সাংবাদিকদের ছবিসহ তালিকা দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। প্রেসক্লাবের বাইরে যারা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে সাংবাদিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে এই মন্তব্য করেন জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ।

ঐ সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যের একটি অংশ ছিল: “কে সাংবাদিক আমরা জানি। ধরুন, আমি এখানে কালের কণ্ঠ পত্রিকার (উদাহরণস্বরূপ) সাংবাদিক। একটি জাতীয় পত্রিকার জেলায় সর্বোচ্চ ১ জন অথবা ২ জন প্রতিনিধি থাকবে। কিন্তু কেউ যদি ইউনিয়ন পর্যায়ের কালের কণ্ঠ (উদাহরণস্বরূপ) প্রতিনিধি পরিচয় দেয়, তাহলে এভাবে পুরো জেলায় একশ থেকে দুইশ সাংবাদিক হয়ে যাবে।।তিনি আরও বলেন,”চিন্তা করতে হবে ঢাকা জেলা কেন্দ্রীক কতজন সাংবাদিক কাজ করে। এখন একজন সাংবাদিক যার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেও সম্পাদক হয়ে গেছে। আমি সাংবাদিক হওয়ার জন্য আমার লেখাপড়ার যোগ্যতা না থাকা মানা যেতে পারে। কিন্তু একজন এডিটর বা চিফ এডিটর অবশ্যই যোগ্য হতে হবে। একটি সংবাদপত্রের অনুমোদন পেতেও নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড ফলো করতে হয়। যেমন, ওষুধের দোকান চালাতে হলে ফার্মাসিস্ট লাইসেন্স লাগে। এই বিষয়টি আমরা প্রেসক্লাব সভাপতি বা রিপোর্টার্স ইউনিটি অথবা জেলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকার বাইরের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা যায়। অথবা সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া যায়।”তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”আমরা একটা তালিকা করি, মাহবুব ভাই। এটা কি সম্ভব?”
সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া, এসপির এমন বক্তব্যে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা ফুঁসে উঠেছেন। কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল বলেন, “আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সাংবাদিকদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে মূলধারার সাংবাদিকেরা মর্মাহত।