দুই লিওনেলের মধ্যকার দ্বন্দ্বে কি বিরূপ প্রভাব পড়বে আর্জেন্টিনা দলে?
- আপডেট সময় : ০৬:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ২২৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
কয়েকদিন আগে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ব্রাজিলকে হারানোর সুখস্মৃতি নিয়ে মাঠে নামার পর আর্জেন্টিনা ভক্তদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কারণ, আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি দেশটির কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। জানা গেছে, স্কালোনির কোচের পদত্যাগের পেছনে রয়েছেন লিওনেল মেসি।
মূলত আর্জেন্টিনার সুখের সংসারে এখন তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। দ্বন্দ্ব মূলত দলের প্রথম দুই ব্যক্তি দুই লিওনেলের মধ্যে। ‘দ্য অ্যাথলেটিক’ নামের একটি গণমাধ্যম এমনটাই জানিয়েছে।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়াম। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। যার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তা সামাল দিতে বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। নিজ দেশের সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে দল ছাড়লেন লিওনেল মেসি। খেলা শুরু হয় ৩০ মিনিট দেরিতে।
এটিই স্কালোনি ও মেসির বিরোধের মূল কারণ বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোচ স্কালোনিকে জিজ্ঞেস না করেই দলের সঙ্গে মাঠ ছেড়েছেন মেসি। এতেই ক্ষুব্ধ কোচ স্কালোনি। ব্রাজিলকে হারানোর পর সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘আমার এবার একটু বিশ্রাম করার সময় হয়েছে। গত কয়েক বছরে অনেক পরিশ্রম করেছি। আর এনার্জি পাচ্ছি না। আর্জেন্টিনার উচিত এমন একজন কোচ নিয়ে আসা যে এনার্জিতে পূর্ণ।’
বিশ্বকাপের পরে, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা স্কালোনির চুক্তি ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল; তবে তিনি এতদিন থাকবেন কি না তা এখন অনিশ্চিত।
আর্জেন্টিনার একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ‘স্কালোনির মনে হচ্ছে, দলে তার ক্ষমতা কমেছে। তাই সরে যেতে চাইছেন তিনি। ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকার পরেই সরে যেতে পারেন ৩৬ বছর পরে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো কোচ।’
কিন্তু শোনা যাচ্ছে ভিন্ন গল্প। স্কালোনির সঙ্গে কথা বলছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। তারা কার্লো আনচেলত্তি ও কোচ স্কালোনির স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন। অন্যদিকে ব্রাজিলের কোচ হতে পারেন আনচেলত্তি। তবে তাদের সবার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
স্কালোনি বা মেসি অবশ্য এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে স্কালোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছে এখন। তাদের এই বিরোধের জেরে কি ফাটল ধরবে আর্জেন্টিনা দলের বাকি সদস্যের মধ্যে তা এখনো বলা মুশকিল।























