ঢাকা ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ফেসবুক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী মিথ্যাচার চালাচ্ছে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. মঈন খান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহবধূর সাড়ে-৯ ভরি স্বর্ণ আত্মসাত-২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও এসআই সোহেল মাহমুদের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রতিবেদনের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাতির মিথ্যা মামলায় এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে এক মায়ের আকুতি Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ বছরের মধ্যে জনপ্রিয়তায় সর্বনিম্ন ডোনাল্ড ট্রাম্প Logo সাদিক কায়েমকে সতর্ক করে রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট Logo ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের পরিবর্তন দেখাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১১৩ বার পঠিত

দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যার পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকেই সরকার একটি বিশেষ কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে আজ সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে অন্তত কিছুটা উন্নতি দেখা যেতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

এলএনজি সরবরাহ নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী। তবে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার ক্ষেত্রে কিছু বাস্তব জটিলতা রয়েছে। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় আইএসও ট্যাংক সহজলভ্য না হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা সম্ভাব্য সব পথ নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

দেশীয়ভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

চলমান সংকটের জন্য অতীতের নীতিগত সিদ্ধান্তকেও দায়ী করেন তিনি। তাঁর মতে, আগের সরকারগুলো দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের সেই সমস্যার প্রভাব এখন বড় সংকট হিসেবে সামনে এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ভুল নীতির ফল একসময় না একসময় ভোগ করতে হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে টেকসই সমাধানের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

ট্যাগস :

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

দেশের চলমান বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যার পর পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, গতকাল সন্ধ্যা থেকেই সরকার একটি বিশেষ কৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে আজ সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ সরবরাহে অন্তত কিছুটা উন্নতি দেখা যেতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

এলএনজি সরবরাহ নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে চলমান আলোচনার বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার বিষয়ে তারা আশাবাদী। তবে আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার ক্ষেত্রে কিছু বাস্তব জটিলতা রয়েছে। বিশেষ করে প্রয়োজনীয় আইএসও ট্যাংক সহজলভ্য না হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের হাতে থাকা সম্ভাব্য সব পথ নিয়েই কাজ করা হচ্ছে। জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

দেশীয়ভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের উৎপাদন তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

চলমান সংকটের জন্য অতীতের নীতিগত সিদ্ধান্তকেও দায়ী করেন তিনি। তাঁর মতে, আগের সরকারগুলো দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পরিবর্তে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের সেই সমস্যার প্রভাব এখন বড় সংকট হিসেবে সামনে এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ভুল নীতির ফল একসময় না একসময় ভোগ করতে হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে টেকসই সমাধানের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।