ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান Logo নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে তদন্তে পুলিশ Logo বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ Logo কুমিল্লায় শাহীন স্কুলের বর্ণাঢ্য ফল উৎসব অনুষ্ঠিত Logo পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মনোহরদীতে খাল খনন শেষে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৪২৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যেসব সমস্যার কথা শোনা যায়, তার মধ্যে একটি অন্যতম হলো—অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতা। এই বিষয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাপ এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও অন্যান্য গুণাবলির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অধ্যাপক আবরার বলেন, “শিক্ষার্থীরা যখন কেবলমাত্র পরীক্ষায় ভালো করার চাপ নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তাদের মধ্যে অন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক বা নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, শিক্ষা শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের বিষয় নয়। তার চেয়ে আরো বিস্তৃত বিষয় হলো—মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সামাজিক গুণাবলির বিকাশ।

এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও তার কিছু পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, “স্কুলে এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে অভাব বোধ করবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই পড়ানোই নয়, তাদের খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।”

অধ্যাপক আবরার আরও বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাধারণ মেধা রয়েছে, তবে মেধাকে সঠিকভাবে লালন করার জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

একই সঙ্গে তিনি নারীদের প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, এবং উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭% নারী, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

অতএব, অধ্যাপক আবরারের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখন বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য পঠনপাঠনের পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

ট্যাগস :

শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যেসব সমস্যার কথা শোনা যায়, তার মধ্যে একটি অন্যতম হলো—অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতা। এই বিষয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাপ এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও অন্যান্য গুণাবলির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অধ্যাপক আবরার বলেন, “শিক্ষার্থীরা যখন কেবলমাত্র পরীক্ষায় ভালো করার চাপ নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তাদের মধ্যে অন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক বা নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, শিক্ষা শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের বিষয় নয়। তার চেয়ে আরো বিস্তৃত বিষয় হলো—মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সামাজিক গুণাবলির বিকাশ।

এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও তার কিছু পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, “স্কুলে এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে অভাব বোধ করবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই পড়ানোই নয়, তাদের খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।”

অধ্যাপক আবরার আরও বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাধারণ মেধা রয়েছে, তবে মেধাকে সঠিকভাবে লালন করার জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

একই সঙ্গে তিনি নারীদের প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, এবং উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭% নারী, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

অতএব, অধ্যাপক আবরারের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখন বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য পঠনপাঠনের পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।