ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo * ২০২২ সালের সম্প্রচারে ‘মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ব্যয়’ নিয়ে তদন্তের ইঙ্গিত Logo বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ইমনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ Logo বড়ইয়ায় নিজস্ব অর্থায়নে দেড় কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করলেন সমাজসেবক আতিকুর রহমান আতিক Logo অন্ধকারে নিমজ্জিত মিনি পর্যটনখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া টু বিজয়নগর সড়ক, ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা Logo বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম ১৭ মিনিট, শাকিরা-ম্যাডোনা-জাস্টিন বিবারের পারফরম্যান্স নিশ্চিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার গৃহবন্দী, ৩ দিন অনাহারে শিশুসহ পরিবারের ৬ সদস্য  Logo ধামরাইয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি Logo ইরান সংকটে ট্রাম্পের সামনে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা, বলছে নিউইয়র্ক টাইমস Logo রাজাপুরের বড়ইয়ায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের মতবিনিময় সভা

বিশ্বকাপ জিতলে মেসির সামনে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সুযোগ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৪৭ বার পঠিত

লিওনেল মেসি কি এবার ক্যারিয়ারের নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে? ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল ও অ্যাসিস্টের তালিকায় শীর্ষে থাকা এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে এখন ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া বিশ্লেষক ও বিভিন্ন বুকমেকার।

২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালে অষ্টমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন মেসি। এবারও আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে পারে, তাহলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ এই পুরস্কার নবমবারের মতো তার হাতেই উঠতে পারে বলে জোরালো আলোচনা চলছে।

এর মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে— ‘ইউরোপের বাইরে কোনো ক্লাবে খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব?’ এর উত্তরে আয়োজকরা স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সেটি সম্পূর্ণ সম্ভব।

ব্যালন ডি’অরের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল জানিয়েছে, ১৯৫৬ সালে এই পুরস্কার চালুর সময় এটি শুধুমাত্র ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য নির্ধারিত ছিল। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে ইউরোপীয় লিগে খেলা সব দেশের ফুটবলারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০০৭ সাল থেকে ভৌগোলিক ও লিগভিত্তিক সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা সেরা ফুটবলারই ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হন।

এই নিয়মের সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি নিজেই। ২০২৩ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। তবে আয়োজকরা সে সময় ব্যাখ্যা করেছিলেন, ওই পুরস্কারের মূল্যায়নে মূলত প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) খেলার সময়কার পারফরম্যান্স এবং ২০২২ বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নৈপুণ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালের গ্রীষ্মে তিনি পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন।

আয়োজকদের তথ্যমতে, ২০২২ সাল থেকে ব্যালন ডি’অর নির্বাচনের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে। আগে একটি পূর্ণ বর্ষপঞ্জির (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হলেও এখন আগস্ট থেকে পরবর্তী বছরের জুলাই পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।

সেই হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির পারফরম্যান্স এবং আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য শিরোপা জয় ব্যালন ডি’অর ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদি তিনি দলকে আবারও বিশ্বকাপ জেতাতে সক্ষম হন, তাহলে রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।

ট্যাগস :

বিশ্বকাপ জিতলে মেসির সামনে নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সুযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

লিওনেল মেসি কি এবার ক্যারিয়ারের নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে? ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল ও অ্যাসিস্টের তালিকায় শীর্ষে থাকা এই আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে এখন ব্যালন ডি’অর জয়ের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া বিশ্লেষক ও বিভিন্ন বুকমেকার।

২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালে অষ্টমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন মেসি। এবারও আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখতে পারে, তাহলে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ এই পুরস্কার নবমবারের মতো তার হাতেই উঠতে পারে বলে জোরালো আলোচনা চলছে।

এর মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে— ‘ইউরোপের বাইরে কোনো ক্লাবে খেলেও কি ব্যালন ডি’অর জেতা সম্ভব?’ এর উত্তরে আয়োজকরা স্পষ্ট করেছেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সেটি সম্পূর্ণ সম্ভব।

ব্যালন ডি’অরের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল জানিয়েছে, ১৯৫৬ সালে এই পুরস্কার চালুর সময় এটি শুধুমাত্র ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদের জন্য নির্ধারিত ছিল। ১৯৯৫ সালে নিয়ম পরিবর্তন করে ইউরোপীয় লিগে খেলা সব দেশের ফুটবলারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০০৭ সাল থেকে ভৌগোলিক ও লিগভিত্তিক সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো লিগে খেলা সেরা ফুটবলারই ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হন।

এই নিয়মের সবচেয়ে বড় উদাহরণ লিওনেল মেসি নিজেই। ২০২৩ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ইন্টার মায়ামির খেলোয়াড় ছিলেন। তবে আয়োজকরা সে সময় ব্যাখ্যা করেছিলেন, ওই পুরস্কারের মূল্যায়নে মূলত প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) খেলার সময়কার পারফরম্যান্স এবং ২০২২ বিশ্বকাপে তার অসাধারণ নৈপুণ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৩ সালের গ্রীষ্মে তিনি পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন।

আয়োজকদের তথ্যমতে, ২০২২ সাল থেকে ব্যালন ডি’অর নির্বাচনের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে। আগে একটি পূর্ণ বর্ষপঞ্জির (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) পারফরম্যান্স বিবেচনা করা হলেও এখন আগস্ট থেকে পরবর্তী বছরের জুলাই পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।

সেই হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে মেসির পারফরম্যান্স এবং আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য শিরোপা জয় ব্যালন ডি’অর ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। যদি তিনি দলকে আবারও বিশ্বকাপ জেতাতে সক্ষম হন, তাহলে রেকর্ড নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হবে।