প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সেনা মহড়া পরিদর্শন: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসায় যা বললেন
- আপডেট সময় : ০৩:২৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ১২০ বার পঠিত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চলমান গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন এবং তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল প্রায় ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ ৮ বীর ইউনিটের প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি প্রশিক্ষণ এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন এবং চলমান মহড়ার বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) এবং ইউনিটের কমান্ডিং অফিসার (সিও) প্রধানমন্ত্রীকে প্রশিক্ষণের অগ্রগতি, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং মহড়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি একজন কমান্ডারের অপারেশনাল ব্রিফিং মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি রেইড অপারেশনের অনুশীলন প্রত্যক্ষ করেন।
এ সময় যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশলের প্রয়োগ, আধুনিক সমরাস্ত্র ব্যবহারের কৌশল এবং বাস্তবসম্মত যুদ্ধ প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেনা বাঙ্কারে প্রবেশ করে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কৌশলগত বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ও করেন।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছেও যান প্রধানমন্ত্রী। তিনি তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেন।
সফরের আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত ছিল সেনাসদস্যদের সঙ্গে একসঙ্গে খাবার গ্রহণ। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার খাওয়ার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে চা পান করেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর আস্থা ও বিশ্বাস রাখে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি সেনাবাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্ব, কঠোর শৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ধরে রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারভাবে পরিচালনা করায় সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যৎ সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করেন।
















