ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারে প্রবৃদ্ধির দৌড়ে শীর্ষে অনার Logo স্কাইলাইন ক্যামেরায় নজর কাড়বে ভিভো ভি৮০ লাইট কার্ভড ডিজাইনে আসছে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ Logo গেমসকম ২০২৬-এ ‘অরাস ইনফিনিটি’ নিয়ে গিগাবাইটের গেমিং প্লেগ্রাউন্ড গেমসকমে এআই ও গেমিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির অরাস Logo নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন Logo গাজায় ৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ দাবি Logo র‌্যাবের যৌথ অভিযানে কসবায় ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ ব্যবহার করে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় ২ জন গ্রেফতার Logo দুই দিনে টেস্ট শেষ, বাকি সময় ঘুমানোর কথা বললেন শান্ত Logo মার্কিন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে প্রতিবেশীদের শত্রু ভাববে ইরান Logo ছাদে মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২

৫ পুষ্টির ঘাটতির ফলে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৪৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে। এখন হৃদরোগের সমস্যা ঘরে ঘরে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ভাজা-ভুজি ও তৈলাক্ত-মসলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে কিছু পুষ্টির ঘাটতিও হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হার্টের সমস্যাও হয়। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়, হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি হলে ক্লান্তি, প্রদাহ, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা হতে পারে।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই রোগটি ‘অ্যারিথমিয়া’ নামে পরিচিত। এই সমস্ত লক্ষণ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। তাই ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। পালং শাক, স্যামন, অ্যাভোকাডো, কলা, দই, বিভিন্ন বাদাম এবং বীজ আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

পটাসিয়াম গবেষণা পরামর্শ দেয় যে পটাসিয়ামের অভাবে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়াস হতে পারে। হাড় ও পেশীর সমস্যাও দেখা দেয়।

পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন আলু, কিডনি বিনস, কলা, অ্যাভোকাডো, দুধ, স্যামন এবং টুনা অবশ্যই নিয়মিত খাবেন। তবে শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ভিটামিন ডি শরীরে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিমের কুসুম, স্যামন, টুনা এবং ফোর্টিফাইড কমলার রসের মতো খাবার ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই খনিজটির অভাব রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই, দুধ, ফোর্টিফাইড সিরিয়াল এবং সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন।

ভিটামিন বি গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ফোলেট এবং ভিটামিন বি-৬ থাকলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

ভিটামিন বি-১২ এবং বি-৯ হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। বি ভিটামিন শরীরে নতুন লাল রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।

৫ পুষ্টির ঘাটতির ফলে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা!

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে। এখন হৃদরোগের সমস্যা ঘরে ঘরে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ভাজা-ভুজি ও তৈলাক্ত-মসলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে কিছু পুষ্টির ঘাটতিও হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হার্টের সমস্যাও হয়। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়, হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি হলে ক্লান্তি, প্রদাহ, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা হতে পারে।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই রোগটি ‘অ্যারিথমিয়া’ নামে পরিচিত। এই সমস্ত লক্ষণ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। তাই ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। পালং শাক, স্যামন, অ্যাভোকাডো, কলা, দই, বিভিন্ন বাদাম এবং বীজ আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

পটাসিয়াম গবেষণা পরামর্শ দেয় যে পটাসিয়ামের অভাবে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়াস হতে পারে। হাড় ও পেশীর সমস্যাও দেখা দেয়।

পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন আলু, কিডনি বিনস, কলা, অ্যাভোকাডো, দুধ, স্যামন এবং টুনা অবশ্যই নিয়মিত খাবেন। তবে শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ভিটামিন ডি শরীরে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিমের কুসুম, স্যামন, টুনা এবং ফোর্টিফাইড কমলার রসের মতো খাবার ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই খনিজটির অভাব রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই, দুধ, ফোর্টিফাইড সিরিয়াল এবং সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন।

ভিটামিন বি গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ফোলেট এবং ভিটামিন বি-৬ থাকলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

ভিটামিন বি-১২ এবং বি-৯ হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। বি ভিটামিন শরীরে নতুন লাল রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।