ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ Logo গেমসকম ২০২৬-এ ‘অরাস ইনফিনিটি’ নিয়ে গিগাবাইটের গেমিং প্লেগ্রাউন্ড গেমসকমে এআই ও গেমিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির অরাস Logo নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন Logo গাজায় ৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ দাবি Logo র‌্যাবের যৌথ অভিযানে কসবায় ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ ব্যবহার করে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় ২ জন গ্রেফতার Logo দুই দিনে টেস্ট শেষ, বাকি সময় ঘুমানোর কথা বললেন শান্ত Logo মার্কিন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে প্রতিবেশীদের শত্রু ভাববে ইরান Logo ছাদে মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২ Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য, ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন Logo বাংলাদেশে এক্সপালস ২০০ সিরিজ নিয়ে এলো হিরো মোটোকর্প

শীতকালের অতিরিক্ত ঘুম আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে বিপদ!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৫৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুস্থ থাকার জন্য যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জরুরি, তেমনি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। আর শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। বয়স এবং শারীরিক কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে প্রত্যেকের ৭-৯ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

শুধু শীতকাল নয়, যে কোনো সময়ই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমানো উচিত নয়। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ-

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ঘুম ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কম ঘুমালে বা বেশিক্ষণ ঘুমালে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতএব, আপনি যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান তবে আপনাকে প্রথমে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র অনুসরণ করতে হবে।

স্থূলতা: গবেষণা দেখায় যে কম ঘুম এবং বেশি ঘুম উভয়ই চর্বি বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। যারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘুমান, অর্থাৎ প্রতি রাতে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদেরও মোটা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে আরও অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো ঠিক নয়।

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: অতিরিক্ত ঘুম হৃদরোগেরও কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিনই দিনের বেলা ঘুমান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিষণ্নতা: অতিরিক্ত ঘুম হতাশার লক্ষণ হতে পারে। অতিরিক্ত ঘুম হতাশার সমস্যাকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। বিষণ্নতা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শুধু বড়রা নয় শিশুরাও এর শিকার হচ্ছে। ঘুমের সময় কম ঘুম, বেশি ঘুম, বা অস্থিরতা লক্ষ্য করলে সতর্ক থাকুন।

ক্লান্তি এবং আলসেমি বৃদ্ধি পায়: আপনি যদি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে আপনার শরীর বা মন সতেজ বোধ করে। অতিরিক্ত ঘুমিয়ে বেলায় উঠলে আলস্য লাগে, ক্লান্তবোধ হয়, শরীরে চনমনে ভাব থাকে না। কোনো কাজেও উৎসাহ পাওয়া যায় না।

শীতকালের অতিরিক্ত ঘুম আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে বিপদ!

আপডেট সময় : ০২:২৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সুস্থ থাকার জন্য যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস জরুরি, তেমনি পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি। আর শুধু শারীরিক নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও প্রয়োজন পর্যাপ্ত ঘুম। বয়স এবং শারীরিক কার্যকলাপের উপর নির্ভর করে প্রত্যেকের ৭-৯ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।

শুধু শীতকাল নয়, যে কোনো সময়ই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ঘুমানো উচিত নয়। না হলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ-

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়: গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত ঘুম ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কম ঘুমালে বা বেশিক্ষণ ঘুমালে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতএব, আপনি যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান তবে আপনাকে প্রথমে স্বাভাবিক ঘুমের চক্র অনুসরণ করতে হবে।

স্থূলতা: গবেষণা দেখায় যে কম ঘুম এবং বেশি ঘুম উভয়ই চর্বি বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। যারা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঘুমান, অর্থাৎ প্রতি রাতে ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুমান তাদেরও মোটা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে আরও অনেক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো ঠিক নয়।

হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়: অতিরিক্ত ঘুম হৃদরোগেরও কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিনই দিনের বেলা ঘুমান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিষণ্নতা: অতিরিক্ত ঘুম হতাশার লক্ষণ হতে পারে। অতিরিক্ত ঘুম হতাশার সমস্যাকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। বিষণ্নতা যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শুধু বড়রা নয় শিশুরাও এর শিকার হচ্ছে। ঘুমের সময় কম ঘুম, বেশি ঘুম, বা অস্থিরতা লক্ষ্য করলে সতর্ক থাকুন।

ক্লান্তি এবং আলসেমি বৃদ্ধি পায়: আপনি যদি রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমান এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তাহলে আপনার শরীর বা মন সতেজ বোধ করে। অতিরিক্ত ঘুমিয়ে বেলায় উঠলে আলস্য লাগে, ক্লান্তবোধ হয়, শরীরে চনমনে ভাব থাকে না। কোনো কাজেও উৎসাহ পাওয়া যায় না।