ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ Logo গেমসকম ২০২৬-এ ‘অরাস ইনফিনিটি’ নিয়ে গিগাবাইটের গেমিং প্লেগ্রাউন্ড গেমসকমে এআই ও গেমিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির অরাস Logo নুসরাত হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৪ জনের যাবজ্জীবন Logo গাজায় ৩১৫ দিনে ৪ হাজার ৩৭৯ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ দাবি Logo র‌্যাবের যৌথ অভিযানে কসবায় ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ ব্যবহার করে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় ২ জন গ্রেফতার Logo দুই দিনে টেস্ট শেষ, বাকি সময় ঘুমানোর কথা বললেন শান্ত Logo মার্কিন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধে’ যোগ দিলে প্রতিবেশীদের শত্রু ভাববে ইরান Logo ছাদে মাদক সেবন দেখে ফেলায় একই পরিবারের চারজনকে হত্যা, আটক ২ Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য, ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন Logo বাংলাদেশে এক্সপালস ২০০ সিরিজ নিয়ে এলো হিরো মোটোকর্প

অতিরিক্ত রাগ দেখিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪১৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

প্রায় সবাই বিভিন্ন কারণে রেগে যেতে পারেন। কিন্তু শরীর সেই রাগ সব সময় নিতে পারে না। রাগের কারণে অনেকেই শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘটনা টের পান না। কিন্তু রাগের প্রবণতা হার্টসহ বিভিন্ন অঙ্গের জন্য বিপদ ডেকে আনে। রাগ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে সরাসরি প্রভাবিত করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক রাগ শরীরের কোন কোন অংশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে-

হজমের সমস্যা: শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। অটোনমিক নার্ভ সিস্টেম আমাদের পেট এবং মস্তিষ্কের মধ্যে সংযোগ বজায় রাখে। রাগ শরীরে চাপ সৃষ্টি করে। আর তা বেড়ে গেলে স্নায়ুতন্ত্রের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। যা হজমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

হার্টের বিপদ: একাধিক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে, রাগের কারণে শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা থেকে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ মানসিক চাপ সরাসরি হৃদস্পন্দনকে প্রভাবিত করে। একটি মার্কিন গবেষণা বলছে, রাগ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্তত দুই গুণ বাড়িয়ে দেয়। প্রায় ৪,০০০ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছিল।

ঘুমের সমস্যা: রাগ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। বেশ কিছু গবেষণায় ঘুমের অভাব এবং রাগের মধ্যে সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্ক মানে যদি একটি বাড়ে বা কমে, অন্যটিও বাড়ে বা হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গেছে রাগ ঘুম বিলম্বিত করে। রাতেও ভালো ঘুম হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যবয়সী মানুষের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

রাগ কমাতে কি করতে পারেন?

গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এটি দিনে দুবার ১০ মিনিটের জন্য করুন। আপনার নাক দিয়ে শ্বাস নিন। মুখ দিয়ে মুক্তি। এটি স্নায়বিক উত্তেজনা হ্রাস করে। কথা বলার আগে এক সেকেন্ডের জন্য বিরতি দিন। আপনি কি বলতে যাচ্ছেন তা নিয়ে ভাবুন। এটা বলা ঠিক কি না ভেবে দেখুন। রেগে গেলে আমরা নিজেদেরকেই প্রাধান্য দেই। তাই নিজেকে বাদ দিয়ে আগে বিপরীত ব্যক্তির কথা ভাবুন।

অতিরিক্ত রাগ দেখিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

আপডেট সময় : ০২:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

প্রায় সবাই বিভিন্ন কারণে রেগে যেতে পারেন। কিন্তু শরীর সেই রাগ সব সময় নিতে পারে না। রাগের কারণে অনেকেই শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘটনা টের পান না। কিন্তু রাগের প্রবণতা হার্টসহ বিভিন্ন অঙ্গের জন্য বিপদ ডেকে আনে। রাগ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গকে সরাসরি প্রভাবিত করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক রাগ শরীরের কোন কোন অংশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে-

হজমের সমস্যা: শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। অটোনমিক নার্ভ সিস্টেম আমাদের পেট এবং মস্তিষ্কের মধ্যে সংযোগ বজায় রাখে। রাগ শরীরে চাপ সৃষ্টি করে। আর তা বেড়ে গেলে স্নায়ুতন্ত্রের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। যা হজমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

হার্টের বিপদ: একাধিক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে, রাগের কারণে শরীরে স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা থেকে হার্ট অ্যাটাকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ মানসিক চাপ সরাসরি হৃদস্পন্দনকে প্রভাবিত করে। একটি মার্কিন গবেষণা বলছে, রাগ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অন্তত দুই গুণ বাড়িয়ে দেয়। প্রায় ৪,০০০ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছিল।

ঘুমের সমস্যা: রাগ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। বেশ কিছু গবেষণায় ঘুমের অভাব এবং রাগের মধ্যে সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। পারস্পরিক সম্পর্ক মানে যদি একটি বাড়ে বা কমে, অন্যটিও বাড়ে বা হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গেছে রাগ ঘুম বিলম্বিত করে। রাতেও ভালো ঘুম হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যবয়সী মানুষের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

রাগ কমাতে কি করতে পারেন?

গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম এক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এটি দিনে দুবার ১০ মিনিটের জন্য করুন। আপনার নাক দিয়ে শ্বাস নিন। মুখ দিয়ে মুক্তি। এটি স্নায়বিক উত্তেজনা হ্রাস করে। কথা বলার আগে এক সেকেন্ডের জন্য বিরতি দিন। আপনি কি বলতে যাচ্ছেন তা নিয়ে ভাবুন। এটা বলা ঠিক কি না ভেবে দেখুন। রেগে গেলে আমরা নিজেদেরকেই প্রাধান্য দেই। তাই নিজেকে বাদ দিয়ে আগে বিপরীত ব্যক্তির কথা ভাবুন।