ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান Logo নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে তদন্তে পুলিশ Logo বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ Logo কুমিল্লায় শাহীন স্কুলের বর্ণাঢ্য ফল উৎসব অনুষ্ঠিত Logo পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মনোহরদীতে খাল খনন শেষে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৭১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক : সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল যুগে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় তরুণ সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবোর্ডের উদ্যোগে “তরুণ সাংবাদিকদের নিয়মিত সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গঠন” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বক্তারা বলেন, অপসংস্কৃতি, ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, তথ্যের নির্ভুল যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং) এবং দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ (কালাম আজাদ)। এতে অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার কামরুল হাসান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরী এবং দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার নোমান ছিদ্দিকী। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, তরুণ ও শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সংকোচনের ফলে নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সত্য, ত্যাগ ও চেতনা নাটক, চলচ্চিত্র এবং বিভিন্ন সৃজনশীল মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি পালকি, বায়োস্কোপসহ দেশীয় লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে তরুণ সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, তরুণ কনটেন্ট নির্মাতাদের উৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ আলোচক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “একটি জাতির আত্মপরিচয় তার সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্যেই নিহিত। তাই সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়, এটি জাতি গঠনের অন্যতম ভিত্তি।” তিনি মানবিক মূল্যবোধ, প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা এবং দেশীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলন জোরদারের আহ্বান জানান। দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার কামরুল হাসান বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি একটি রাষ্ট্রের শক্তিশালী ভিত্তি। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠন সম্ভব নয়। তাই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা বলেন, সংবাদ পরিবেশনে সত্যতা ও নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি লোকসংগীত, ভাওয়াইয়া, উচ্চাঙ্গসংগীতসহ দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন গেমে আসক্ত তরুণদের সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার নোমান ছিদ্দিকী বলেন, গবেষণাভিত্তিক সাংবাদিকতা সময়ের দাবি। ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে সুস্থ সংস্কৃতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ইতিবাচক সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারে গণমাধ্যমকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।সেমিনারে গৃহীত ৮টি নীতিগত সুপারিশ একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ না করা। ক্লিকবেট ও বিভ্রান্তিকর শিরোনাম সম্পূর্ণ পরিহার করা। কপিরাইট ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ আইনের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা। দেশীয় শিল্প, সাহিত্য ও লোকজ ঐতিহ্যভিত্তিক সংবাদকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকা। ভুয়া খবর ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিয়মিত ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা। ইতিবাচক, শিক্ষামূলক ও মানবিক মূল্যবোধনির্ভর কনটেন্ট প্রকাশে উৎসাহ দেওয়া। ডিজিটাল নৈতিকতা, সাইবার আইন ও আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।সেমিনারে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ সংস্কৃতির সমন্বিত চর্চার মাধ্যমে তরুণ সাংবাদিকরা একটি দায়িত্বশীল, সচেতন ও সংস্কৃতিমনস্ক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

ট্যাগস :

সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য

আপডেট সময় : ০৭:২১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক : সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গড়ে তোলা এবং ডিজিটাল যুগে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠায় তরুণ সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টিবোর্ডের উদ্যোগে “তরুণ সাংবাদিকদের নিয়মিত সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন চর্চার পরিবেশ গঠন” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেমিনারে বক্তারা বলেন, অপসংস্কৃতি, ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিনির্ভর নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, তথ্যের নির্ভুল যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং) এবং দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এবং বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ (কালাম আজাদ)। এতে অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার কামরুল হাসান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য সুমন চৌধুরী এবং দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার নোমান ছিদ্দিকী। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি বলেন, তরুণ ও শিশুদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশে সুস্থ বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সংকোচনের ফলে নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হয়েছে। তাই ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সত্য, ত্যাগ ও চেতনা নাটক, চলচ্চিত্র এবং বিভিন্ন সৃজনশীল মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি পালকি, বায়োস্কোপসহ দেশীয় লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণে তরুণ সাংবাদিকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, তরুণ কনটেন্ট নির্মাতাদের উৎসাহিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ইতিবাচক পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ আলোচক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, “একটি জাতির আত্মপরিচয় তার সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মধ্যেই নিহিত। তাই সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়, এটি জাতি গঠনের অন্যতম ভিত্তি।” তিনি মানবিক মূল্যবোধ, প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা এবং দেশীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সুস্থ সাংস্কৃতিক আন্দোলন জোরদারের আহ্বান জানান। দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার কামরুল হাসান বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি একটি রাষ্ট্রের শক্তিশালী ভিত্তি। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা ছাড়া মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠন সম্ভব নয়। তাই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষায় সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক রফিক মৃধা বলেন, সংবাদ পরিবেশনে সত্যতা ও নৈতিকতার প্রশ্নে কোনো আপস করা যাবে না। তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি লোকসংগীত, ভাওয়াইয়া, উচ্চাঙ্গসংগীতসহ দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন গেমে আসক্ত তরুণদের সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। দৈনিক প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার নোমান ছিদ্দিকী বলেন, গবেষণাভিত্তিক সাংবাদিকতা সময়ের দাবি। ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে সুস্থ সংস্কৃতি নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তাই সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি এবং ইতিবাচক সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারে গণমাধ্যমকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।সেমিনারে গৃহীত ৮টি নীতিগত সুপারিশ একাধিক নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ না করা। ক্লিকবেট ও বিভ্রান্তিকর শিরোনাম সম্পূর্ণ পরিহার করা। কপিরাইট ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ আইনের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করা। দেশীয় শিল্প, সাহিত্য ও লোকজ ঐতিহ্যভিত্তিক সংবাদকে অগ্রাধিকার দেওয়া। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকা। ভুয়া খবর ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে নিয়মিত ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা। ইতিবাচক, শিক্ষামূলক ও মানবিক মূল্যবোধনির্ভর কনটেন্ট প্রকাশে উৎসাহ দেওয়া। ডিজিটাল নৈতিকতা, সাইবার আইন ও আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সাংবাদিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।সেমিনারে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ সংস্কৃতির সমন্বিত চর্চার মাধ্যমে তরুণ সাংবাদিকরা একটি দায়িত্বশীল, সচেতন ও সংস্কৃতিমনস্ক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।