ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষকদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময়।  Logo  কসবায় ২৬৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার Logo আশুগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজট Logo ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে এক মাসে রেকর্ড ৫১ হাজার আটক Logo আজই কি বিয়ে রোনালদো-জর্জিনার? মাদেইরায় জোর গুঞ্জন Logo রাসেল ক্রোর সঙ্গে প্রথমবার জুটি বাঁধছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া Logo জ্বালানি-বিদ্যুৎ খাত অস্থিতিশীল করতে চক্র সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি সড়ক বিভাগের শ্রদ্ধা নিবেদন Logo চাঁপাইনবাবগঞ্জে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গণপূর্ত বিভাগের শ্রদ্ধা নিবেদন

যেভাবেই হোক আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে: ইসি আলমগীর

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সংবিধান অনুযায়ী যেভাবেই হোক আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এদিকে অভিজ্ঞতা ছাড়া কোনো বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে দেওয়া হবে না। এমন শর্ত দিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এ নীতিমালা জারি করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। সেই শূন্যতা তৈরি হলে দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হবে। নির্বাচন কমিশন তা অনুমোদন করতে পারে না। তাই নির্বাচন কমিশনের ওপর যে দায়িত্ব জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার সে দায়িত্ব পালন করা হবে। আমরা কিন্তু সরকারি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী নই। আমরা কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছি। সেই শপথ তো আমাদের পূরণ করতে হবে।

মোঃ আলমগীর বলেন, নির্বাচনের জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। ভোটার তালিকার মতো চূড়ান্ত করা হবে ভোটকেন্দ্রও। যারা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ব্যালট পেপার কিনতে হলে কাগজ কিনতে হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের জন্য ব্যালট বাক্স, কালি, সুই, সুতোসহ বিভিন্ন জিনিস যা লাগবে, সেগুলো কিনতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংকট আছে। তবে নির্বাচন চায় না এমনটা তো কোনো দল বলছে না। আমাদের নিবন্ধিত যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে তার মধ্যে নির্বাচন চায় না কোনো দলই বলেনি। তাহলে আমরা কেন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেব না। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে হয়ত অনেকে অনেক কথা বলছেন। পরিবেশ যাতে সুন্দর করা যায় তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। পরিবেশের সবটা সুন্দর করার দায়িত্ব তো আমাদের না। পরিবেশ সুন্দর করা আমাদের যেটুকু দায়িত্ব সেটুকু আমরা করে যাচ্ছি।

বিদেশী পর্যবেক্ষক নীতি বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা উপকরণ শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিতে ইসির আগের নীতিমালা কিছুটা সংশোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিপন্থী কাজ করলে সংসদীয় আসন থেকে বহিষ্কার করা হবে। একই সময়ে, পর্যবেক্ষণের অনুমতি প্রত্যাহার করা হতে পারে। নীতিতে বিদেশী পর্যবেক্ষক বা মিডিয়া কর্মীদের যোগ্যতা, পদ্ধতি, ভিসা প্রক্রিয়াও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদেশী পর্যবেক্ষক সংস্থার নির্বাচনী কাজ, সুশাসন, গণতন্ত্র, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সম্পর্কিত কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে এবং তার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন মেনে চলতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ কিংবা জাল-জালিয়াতি বা অসততাজনিত কোনো অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হওয়ার অযোগ্য হবেন।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যেসব তথ্য দাখিল করতে হবে তার মধ্যে রয়েছে- অভিজ্ঞতার সনদসহ সিভি, মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের কপি, ইসি নির্ধারিত ঘোষণাপত্র সইসহ জমা, কভার লেটারসহ আবেদনপত্র, যেখানে নামের তালিকা থাকতে হবে। দোভাষী নিলে তার জন্য সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

যেভাবেই হোক আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে: ইসি আলমগীর

আপডেট সময় : ০২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সংবিধান অনুযায়ী যেভাবেই হোক আগামী বছরের ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এদিকে অভিজ্ঞতা ছাড়া কোনো বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে দেওয়া হবে না। এমন শর্ত দিয়ে বিদেশি পর্যবেক্ষক নীতি জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এ নীতিমালা জারি করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, ২৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন না হলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। সেই শূন্যতা তৈরি হলে দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হবে। নির্বাচন কমিশন তা অনুমোদন করতে পারে না। তাই নির্বাচন কমিশনের ওপর যে দায়িত্ব জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার সে দায়িত্ব পালন করা হবে। আমরা কিন্তু সরকারি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী নই। আমরা কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছি। সেই শপথ তো আমাদের পূরণ করতে হবে।

মোঃ আলমগীর বলেন, নির্বাচনের জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে। ভোটার তালিকার মতো চূড়ান্ত করা হবে ভোটকেন্দ্রও। যারা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। ব্যালট পেপার কিনতে হলে কাগজ কিনতে হবে। এ ছাড়া নির্বাচনের জন্য ব্যালট বাক্স, কালি, সুই, সুতোসহ বিভিন্ন জিনিস যা লাগবে, সেগুলো কিনতে হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংকট আছে। তবে নির্বাচন চায় না এমনটা তো কোনো দল বলছে না। আমাদের নিবন্ধিত যে রাজনৈতিক দলগুলো আছে তার মধ্যে নির্বাচন চায় না কোনো দলই বলেনি। তাহলে আমরা কেন নির্বাচনের প্রস্তুতি নেব না। তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে হয়ত অনেকে অনেক কথা বলছেন। পরিবেশ যাতে সুন্দর করা যায় তার জন্য আমরা চেষ্টা করব। পরিবেশের সবটা সুন্দর করার দায়িত্ব তো আমাদের না। পরিবেশ সুন্দর করা আমাদের যেটুকু দায়িত্ব সেটুকু আমরা করে যাচ্ছি।

বিদেশী পর্যবেক্ষক নীতি বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা উপকরণ শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিতে ইসির আগের নীতিমালা কিছুটা সংশোধন করা হয়েছে। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিপন্থী কাজ করলে সংসদীয় আসন থেকে বহিষ্কার করা হবে। একই সময়ে, পর্যবেক্ষণের অনুমতি প্রত্যাহার করা হতে পারে। নীতিতে বিদেশী পর্যবেক্ষক বা মিডিয়া কর্মীদের যোগ্যতা, পদ্ধতি, ভিসা প্রক্রিয়াও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদেশী পর্যবেক্ষক সংস্থার নির্বাচনী কাজ, সুশাসন, গণতন্ত্র, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার সম্পর্কিত কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে এবং তার প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। বাংলাদেশের নির্বাচনী আইন মেনে চলতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ কিংবা জাল-জালিয়াতি বা অসততাজনিত কোনো অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হওয়ার অযোগ্য হবেন।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যেসব তথ্য দাখিল করতে হবে তার মধ্যে রয়েছে- অভিজ্ঞতার সনদসহ সিভি, মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের কপি, ইসি নির্ধারিত ঘোষণাপত্র সইসহ জমা, কভার লেটারসহ আবেদনপত্র, যেখানে নামের তালিকা থাকতে হবে। দোভাষী নিলে তার জন্য সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।