ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

বুক ধড়ফড়: হতে পারে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩ ৩১২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

অনেকের শরীরেই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা উপলব্ধি করে না। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। যা হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি বা হাইপোক্যালসেমিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তির রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা খুব কম থাকে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি অস্টিওপোরোসিস এবং অস্টিওপেনিয়া হওয়ার ঝুঁকিকে দ্বিগুণ করে।

বিভিন্ন কারণে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো দীর্ঘদিন ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করা। এছাড়া বয়স ও জিনের কারণেও ক্যালসিয়ামের অভঅব হতে পারে।

এছাড়াও কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, খাবারে ভারসাম্যহীনতা, মহিলাদের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণেও শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গগুলি লক্ষ্য করা গেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রাথমিকভাবে নির্ণয় করা সহজ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে এই সমস্যার সমাধান হয়। অন্যথায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ক্যালসিয়ামের ঘাটতির লক্ষণগুলো সবারই জানা উচিত-

চরম ক্লান্তি এবং দুর্বলতা: ক্লান্তি বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। ক্যালসিয়ামের অভাব চরম ক্লান্তি, অলসতা এবং দুর্বলতার কারণ হতে পারে। হালকা মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরাও অনুভূতি হতে পারে।

ঘন ঘন পেশী ক্র্যাম্প: যদি শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামের অভাব হয় তবে আপনি হঠাৎ পেশীতে ক্র্যাম্প বা খিঁচুনি অনুভব করতে পারেন। পেশীর খিঁচুনি ক্যালসিয়ামের অভাবের সাথে যুক্ত। এটি ঘুমের সময়ও আঘাত করতে পারে।

অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস: ক্যালসিয়ামের নিম্ন স্তরের অস্টিওপরোসিসের মতো রোগও হতে পারে, যা ভঙ্গুর হাড় নামেও পরিচিত। অস্টিওপেনিয়া একটি হাড়ের অবস্থা, যা অস্টিওপোরোসিসের একটি হালকা রূপ। উভয় অবস্থাতেই, হাড়ের খনিজ ঘনত্ব হ্রাস পায়। যা হাড়কে দুর্বল করে দেয়।

ত্বকের সমস্যা এবং ভঙ্গুর নখ: শুষ্ক, ফ্ল্যাকি ত্বক ও ভঙ্গুর নখ ক্যালসিয়ামের অভাবের লক্ষণ হতে পারে। যখন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কম থাকে তখন ত্বক আরও শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যায়। এমনকি ত্বকে চুলকানির সৃষ্টি হতে পারে। হাইপোক্যালসেমিয়া কখনো কখনো সোরিয়াসিস ও একজিমার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি নখ পাতলা, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়।

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন:রক্তে ক্যালসিয়াম স্তর স্বাভাবিক থাকলে হৃদস্পন্দনও নিয়মিত থাকে। আসলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকরে হৃদযন্ত্রে অ্যারিথমিয়াস সৃষ্টি করতে পারে, যা কারও কারও জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। এতে হৃদস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে।

বুক ধড়ফড়: হতে পারে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি

আপডেট সময় : ০২:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

অনেকের শরীরেই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা উপলব্ধি করে না। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ। যা হাড় ও দাঁত সুস্থ রাখে। তাই শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি বা হাইপোক্যালসেমিয়া এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তির রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা খুব কম থাকে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি অস্টিওপোরোসিস এবং অস্টিওপেনিয়া হওয়ার ঝুঁকিকে দ্বিগুণ করে।

বিভিন্ন কারণে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম হলো দীর্ঘদিন ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করা। এছাড়া বয়স ও জিনের কারণেও ক্যালসিয়ামের অভঅব হতে পারে।

এছাড়াও কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, খাবারে ভারসাম্যহীনতা, মহিলাদের হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণেও শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

লক্ষণ ও উপসর্গগুলি লক্ষ্য করা গেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি প্রাথমিকভাবে নির্ণয় করা সহজ। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে এই সমস্যার সমাধান হয়। অন্যথায় ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ক্যালসিয়ামের ঘাটতির লক্ষণগুলো সবারই জানা উচিত-

চরম ক্লান্তি এবং দুর্বলতা: ক্লান্তি বিভিন্ন রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। ক্যালসিয়ামের অভাব চরম ক্লান্তি, অলসতা এবং দুর্বলতার কারণ হতে পারে। হালকা মাথাব্যথা এবং মাথা ঘোরাও অনুভূতি হতে পারে।

ঘন ঘন পেশী ক্র্যাম্প: যদি শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামের অভাব হয় তবে আপনি হঠাৎ পেশীতে ক্র্যাম্প বা খিঁচুনি অনুভব করতে পারেন। পেশীর খিঁচুনি ক্যালসিয়ামের অভাবের সাথে যুক্ত। এটি ঘুমের সময়ও আঘাত করতে পারে।

অস্টিওপেনিয়া এবং অস্টিওপরোসিস: ক্যালসিয়ামের নিম্ন স্তরের অস্টিওপরোসিসের মতো রোগও হতে পারে, যা ভঙ্গুর হাড় নামেও পরিচিত। অস্টিওপেনিয়া একটি হাড়ের অবস্থা, যা অস্টিওপোরোসিসের একটি হালকা রূপ। উভয় অবস্থাতেই, হাড়ের খনিজ ঘনত্ব হ্রাস পায়। যা হাড়কে দুর্বল করে দেয়।

ত্বকের সমস্যা এবং ভঙ্গুর নখ: শুষ্ক, ফ্ল্যাকি ত্বক ও ভঙ্গুর নখ ক্যালসিয়ামের অভাবের লক্ষণ হতে পারে। যখন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কম থাকে তখন ত্বক আরও শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যায়। এমনকি ত্বকে চুলকানির সৃষ্টি হতে পারে। হাইপোক্যালসেমিয়া কখনো কখনো সোরিয়াসিস ও একজিমার ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর পাশাপাশি নখ পাতলা, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়।

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন:রক্তে ক্যালসিয়াম স্তর স্বাভাবিক থাকলে হৃদস্পন্দনও নিয়মিত থাকে। আসলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি থাকরে হৃদযন্ত্রে অ্যারিথমিয়াস সৃষ্টি করতে পারে, যা কারও কারও জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে। এতে হৃদস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে বা কমে যেতে পারে।