ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে মাছিয়াতা দরবার শরীফে তিনশতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী মহা সম্মেলন ও ৫৬ তম ওরশ মাহফিল সম্পন্ন Logo শালিস-থানা-এমপি মানল না’—গালুয়া বাজারে জমি জবরদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo আওয়ারাপন ২ বক্স অফিস: ২০০ কোটির দোরগোড়ায় ইমরান হাশমির সিনেমা Logo অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ও সাদা বলের সিরিজ Logo অসহায় ৯০ বছরের জারিনার পাশে জেলা প্রশাসন, নির্মাণ করে দেয়া হবে নতুন ঘর Logo কেরালার নাম বদলে ‘কেরালম’ Logo সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী Logo Xpulse 200 সিরিজ নিয়ে বিশেষ মিডিয়া টেস্ট রাইড আয়োজন করল হিরো বাংলাদেশ Logo খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ

কোন কলায় স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ ৭৪২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কমবেশি সবাই কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে অবগত। এর ফলে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার স্টোর হয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। তবে এই উপকারী ফল নিয়েও বিতর্ক কম নেই। এ ক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করেন , কাঁচা কলাই গুণের রাজা। বরং পাকা কলা খেলে তেমন উপকার পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, কাঁচা কলা উপকারী হলেও স্বাদের দিক থেকে পাকা কলার কাছাকাছি আসতে পারে না। কিন্তু কাঁচা না পাকা কলা, কোনটির স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আর সেই উত্তর দিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়। তার মতে, নিয়মিত পাকা কলা খেলে একাধিক পুষ্টি মিলবে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেসিয়ামের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিচিত পাকা কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খনি। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে অনেক রোগই দূরে থাকবে।

একই সময়ে, এই ফলটি শক্তির ভাণ্ডার। তাই শরীরের শক্তির ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলে একটি কলা খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীর সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। আপনি একটি ব্যস্ত দিন কাটাতে পারবেন।

তবে কাঁচা কলাও বেশ উপকারী। কাঁচা কলা বা অপক্ব কলায় আছে ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজের মতো ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই তো দেহ সুস্থ রাখতে কাঁচ কলার জুড়ি মেলা ভার।

ঈশানী আরও বলেন, নিয়মিত এই কলা খেলেই ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে বশে আনতে পারবেন। এছাড়া এতে মজুত থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্রনিক ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে পারে। তাই পেটের অসুখ থেকে মুক্তি পেতেও কাঁচা কলা উপকারী।

তাহলে কি খাবেন কাঁচা না পাকা কলা? এ প্রশ্নের জবাবে পুষ্টিবিদ ঈশানী বলেন, কাঁচা কলা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, আর পাকা কলা ফল। তাই এই দুই ধরনের কলারই নিজস্ব গুণ রয়েছে।

আর সুস্থ থাকতে পাকা কলা ও কাঁচা কলা দুটোই খেতে পারেন। এতেই একাধিক ক্রনিক রোগের ফাঁদ এড়াতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, রান্না করে খেলে কলার ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে চাইলে পাকা কলাই ফল হিসাবে খেতে হবে। এতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। ডায়াটেটিস রোগীদের জন্য আবার কাঁচা কলা সেরা। তবে ভরপেটে কলা বা অন্য ফল খাবেন না। বরং খাবার খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা বাদে ফল খেতে পারেন। এতেই মিলবে উপকার। এমনকি এড়াতে পারবেন একাধিক রোগের ফাঁদ।

কোন কলায় স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কমবেশি সবাই কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে অবগত। এর ফলে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার স্টোর হয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। তবে এই উপকারী ফল নিয়েও বিতর্ক কম নেই। এ ক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করেন , কাঁচা কলাই গুণের রাজা। বরং পাকা কলা খেলে তেমন উপকার পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, কাঁচা কলা উপকারী হলেও স্বাদের দিক থেকে পাকা কলার কাছাকাছি আসতে পারে না। কিন্তু কাঁচা না পাকা কলা, কোনটির স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আর সেই উত্তর দিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়। তার মতে, নিয়মিত পাকা কলা খেলে একাধিক পুষ্টি মিলবে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেসিয়ামের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিচিত পাকা কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খনি। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে অনেক রোগই দূরে থাকবে।

একই সময়ে, এই ফলটি শক্তির ভাণ্ডার। তাই শরীরের শক্তির ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলে একটি কলা খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীর সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। আপনি একটি ব্যস্ত দিন কাটাতে পারবেন।

তবে কাঁচা কলাও বেশ উপকারী। কাঁচা কলা বা অপক্ব কলায় আছে ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজের মতো ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই তো দেহ সুস্থ রাখতে কাঁচ কলার জুড়ি মেলা ভার।

ঈশানী আরও বলেন, নিয়মিত এই কলা খেলেই ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে বশে আনতে পারবেন। এছাড়া এতে মজুত থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্রনিক ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে পারে। তাই পেটের অসুখ থেকে মুক্তি পেতেও কাঁচা কলা উপকারী।

তাহলে কি খাবেন কাঁচা না পাকা কলা? এ প্রশ্নের জবাবে পুষ্টিবিদ ঈশানী বলেন, কাঁচা কলা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, আর পাকা কলা ফল। তাই এই দুই ধরনের কলারই নিজস্ব গুণ রয়েছে।

আর সুস্থ থাকতে পাকা কলা ও কাঁচা কলা দুটোই খেতে পারেন। এতেই একাধিক ক্রনিক রোগের ফাঁদ এড়াতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, রান্না করে খেলে কলার ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে চাইলে পাকা কলাই ফল হিসাবে খেতে হবে। এতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। ডায়াটেটিস রোগীদের জন্য আবার কাঁচা কলা সেরা। তবে ভরপেটে কলা বা অন্য ফল খাবেন না। বরং খাবার খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা বাদে ফল খেতে পারেন। এতেই মিলবে উপকার। এমনকি এড়াতে পারবেন একাধিক রোগের ফাঁদ।