ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী

কোন কলায় স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ ৬৯১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কমবেশি সবাই কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে অবগত। এর ফলে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার স্টোর হয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। তবে এই উপকারী ফল নিয়েও বিতর্ক কম নেই। এ ক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করেন , কাঁচা কলাই গুণের রাজা। বরং পাকা কলা খেলে তেমন উপকার পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, কাঁচা কলা উপকারী হলেও স্বাদের দিক থেকে পাকা কলার কাছাকাছি আসতে পারে না। কিন্তু কাঁচা না পাকা কলা, কোনটির স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আর সেই উত্তর দিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়। তার মতে, নিয়মিত পাকা কলা খেলে একাধিক পুষ্টি মিলবে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেসিয়ামের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিচিত পাকা কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খনি। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে অনেক রোগই দূরে থাকবে।

একই সময়ে, এই ফলটি শক্তির ভাণ্ডার। তাই শরীরের শক্তির ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলে একটি কলা খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীর সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। আপনি একটি ব্যস্ত দিন কাটাতে পারবেন।

তবে কাঁচা কলাও বেশ উপকারী। কাঁচা কলা বা অপক্ব কলায় আছে ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজের মতো ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই তো দেহ সুস্থ রাখতে কাঁচ কলার জুড়ি মেলা ভার।

ঈশানী আরও বলেন, নিয়মিত এই কলা খেলেই ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে বশে আনতে পারবেন। এছাড়া এতে মজুত থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্রনিক ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে পারে। তাই পেটের অসুখ থেকে মুক্তি পেতেও কাঁচা কলা উপকারী।

তাহলে কি খাবেন কাঁচা না পাকা কলা? এ প্রশ্নের জবাবে পুষ্টিবিদ ঈশানী বলেন, কাঁচা কলা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, আর পাকা কলা ফল। তাই এই দুই ধরনের কলারই নিজস্ব গুণ রয়েছে।

আর সুস্থ থাকতে পাকা কলা ও কাঁচা কলা দুটোই খেতে পারেন। এতেই একাধিক ক্রনিক রোগের ফাঁদ এড়াতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, রান্না করে খেলে কলার ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে চাইলে পাকা কলাই ফল হিসাবে খেতে হবে। এতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। ডায়াটেটিস রোগীদের জন্য আবার কাঁচা কলা সেরা। তবে ভরপেটে কলা বা অন্য ফল খাবেন না। বরং খাবার খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা বাদে ফল খেতে পারেন। এতেই মিলবে উপকার। এমনকি এড়াতে পারবেন একাধিক রোগের ফাঁদ।

কোন কলায় স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আপডেট সময় : ০১:৫৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কমবেশি সবাই কলার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে অবগত। এর ফলে কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার স্টোর হয়। তাই শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। তবে এই উপকারী ফল নিয়েও বিতর্ক কম নেই। এ ক্ষেত্রে কেউ কেউ মনে করেন , কাঁচা কলাই গুণের রাজা। বরং পাকা কলা খেলে তেমন উপকার পাওয়া যাবে না।

অন্যদিকে, কাঁচা কলা উপকারী হলেও স্বাদের দিক থেকে পাকা কলার কাছাকাছি আসতে পারে না। কিন্তু কাঁচা না পাকা কলা, কোনটির স্বাস্থ্য উপকারিতা বেশি?

আর সেই উত্তর দিয়েছেন কলকাতার বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ঈশানী গঙ্গোপাধ্যায়। তার মতে, নিয়মিত পাকা কলা খেলে একাধিক পুষ্টি মিলবে। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেসিয়ামের মতো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। শুধু তাই নয়, আমাদের পরিচিত পাকা কলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খনি। তাই নিয়মিত পাকা কলা খেলে অনেক রোগই দূরে থাকবে।

একই সময়ে, এই ফলটি শক্তির ভাণ্ডার। তাই শরীরের শক্তির ব্যাটারি ফুরিয়ে গেলে একটি কলা খেতে পারেন। এর মাধ্যমে শরীর সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যাবে। আপনি একটি ব্যস্ত দিন কাটাতে পারবেন।

তবে কাঁচা কলাও বেশ উপকারী। কাঁচা কলা বা অপক্ব কলায় আছে ভিটামিন বি ৬, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজের মতো ভিটামিন ও খনিজের ভাণ্ডার। তাই তো দেহ সুস্থ রাখতে কাঁচ কলার জুড়ি মেলা ভার।

ঈশানী আরও বলেন, নিয়মিত এই কলা খেলেই ব্লাড প্রেশার ও সুগারকে বশে আনতে পারবেন। এছাড়া এতে মজুত থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য ও ক্রনিক ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে পারে। তাই পেটের অসুখ থেকে মুক্তি পেতেও কাঁচা কলা উপকারী।

তাহলে কি খাবেন কাঁচা না পাকা কলা? এ প্রশ্নের জবাবে পুষ্টিবিদ ঈশানী বলেন, কাঁচা কলা সবজি হিসেবে খাওয়া হয়, আর পাকা কলা ফল। তাই এই দুই ধরনের কলারই নিজস্ব গুণ রয়েছে।

আর সুস্থ থাকতে পাকা কলা ও কাঁচা কলা দুটোই খেতে পারেন। এতেই একাধিক ক্রনিক রোগের ফাঁদ এড়াতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, রান্না করে খেলে কলার ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি মেটাতে চাইলে পাকা কলাই ফল হিসাবে খেতে হবে। এতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। ডায়াটেটিস রোগীদের জন্য আবার কাঁচা কলা সেরা। তবে ভরপেটে কলা বা অন্য ফল খাবেন না। বরং খাবার খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা বাদে ফল খেতে পারেন। এতেই মিলবে উপকার। এমনকি এড়াতে পারবেন একাধিক রোগের ফাঁদ।