ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

শুধু নৌপরিবহন-পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নয়, নদী রক্ষার দায়িত্ব সবার: নৌ প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৪৬ বার পঠিত

ফারুখ খান :

নদীকে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু নৌপরিবহন বা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নয়, নদী রক্ষা করার দায়িত্ব প্রতিটি মানুষের বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী । তিনি বলেন, নদী রক্ষার বিষয়ে সমন্বয় দরকার। দেশে প্রতিনিয়ত ডেভেলপমেন্টের কারণে নদীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে ভাবতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘ডিটারমিনেশন অব স্ট্যান্ডার্ড হাই ওয়াটার লেভেল, স্ট্যান্ডার্ড লো ওয়াটার লেভেল অ্যান্ড রি-ক্লাসিফিকেশন অব ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের ফল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এসময়,  ব্রিজের (সেতু) হাইটের (উচ্চতা) চেয়ে নদীতে বেশি পিলারের কারণে সিলট্রেশন (পলি জমা) হয়ে যাচ্ছে  এবং এজন্য নদীতে ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কম পিলার থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বপ্রথম ২০১০ সালে নদ-নদীর ওপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে একটি বিধিমালা জারি করা হয়। প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে ওই বিধিমালায় একটি সংযোজনীও দেওয়া হয়। এর আগে ৪০ বছরে এরকম বিধিমালা কেন হয়নি? ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- মানুষের শিরায় শিরায় রক্তপ্রবাহ না থাকলে মানুষ মারা যায়, তেমনি নদীর নাব্যতা না থাকলে নদী মরে যাবে। ’ উচ্ছেদ অভিযান মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে। মানুষ এখন নদী নিয়ে ভাবছে। মানুষ এখন নদীতে ময়লা ফেলার আগে ডান-বামে তাকায়।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর আগে ১৯৬৭ সালে এবং ১৯৮৯ সালে নদীর ‘হাই ও লো লেভেল’ নিয়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছিল। ওই সমীক্ষা দুটি করেছিল বিদেশি সংস্থা। এবার আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান আইডব্লিউএম এ সমীক্ষার কাজ করেছে। এর ফলে প্রমাণ হয়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও সক্ষমতায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে।

তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ নদ-নদীর ওপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে বিধিমালা (সংশোধিত) তৈরি করবে। সে বিধিমালায় যাতে কোনো স্ট্রাগল তৈরি না হয়; সেটি হবে সবার জন্য ফলপ্রসু এবং সবার জন্য সুবিধাজনক। নদীর কথা চিন্তা করে জাহাজগুলোর উচ্চতা নির্ধারণ করতে হবে। ব্রিজের হাইটের চেয়ে নদীতে বেশি পিলারের কারণে সিলট্রেশন হয়ে যাচ্ছে। নদীতে ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কম পিলার থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।

শুধু নৌপরিবহন-পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নয়, নদী রক্ষার দায়িত্ব সবার: নৌ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:০৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ফারুখ খান :

নদীকে রক্ষা করার দায়িত্ব শুধু নৌপরিবহন বা পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নয়, নদী রক্ষা করার দায়িত্ব প্রতিটি মানুষের বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী । তিনি বলেন, নদী রক্ষার বিষয়ে সমন্বয় দরকার। দেশে প্রতিনিয়ত ডেভেলপমেন্টের কারণে নদীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে ভাবতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘ডিটারমিনেশন অব স্ট্যান্ডার্ড হাই ওয়াটার লেভেল, স্ট্যান্ডার্ড লো ওয়াটার লেভেল অ্যান্ড রি-ক্লাসিফিকেশন অব ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়েজ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রকল্পের ফল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এসময়,  ব্রিজের (সেতু) হাইটের (উচ্চতা) চেয়ে নদীতে বেশি পিলারের কারণে সিলট্রেশন (পলি জমা) হয়ে যাচ্ছে  এবং এজন্য নদীতে ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কম পিলার থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বপ্রথম ২০১০ সালে নদ-নদীর ওপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে একটি বিধিমালা জারি করা হয়। প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে ওই বিধিমালায় একটি সংযোজনীও দেওয়া হয়। এর আগে ৪০ বছরে এরকম বিধিমালা কেন হয়নি? ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- মানুষের শিরায় শিরায় রক্তপ্রবাহ না থাকলে মানুষ মারা যায়, তেমনি নদীর নাব্যতা না থাকলে নদী মরে যাবে। ’ উচ্ছেদ অভিযান মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে। মানুষ এখন নদী নিয়ে ভাবছে। মানুষ এখন নদীতে ময়লা ফেলার আগে ডান-বামে তাকায়।

নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর আগে ১৯৬৭ সালে এবং ১৯৮৯ সালে নদীর ‘হাই ও লো লেভেল’ নিয়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছিল। ওই সমীক্ষা দুটি করেছিল বিদেশি সংস্থা। এবার আমাদের জাতীয় প্রতিষ্ঠান আইডব্লিউএম এ সমীক্ষার কাজ করেছে। এর ফলে প্রমাণ হয়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ও সক্ষমতায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে।

তিনি বলেন, বিআইডব্লিউটিএ নদ-নদীর ওপর পরিকল্পিতভাবে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের উদ্দেশ্যে বিধিমালা (সংশোধিত) তৈরি করবে। সে বিধিমালায় যাতে কোনো স্ট্রাগল তৈরি না হয়; সেটি হবে সবার জন্য ফলপ্রসু এবং সবার জন্য সুবিধাজনক। নদীর কথা চিন্তা করে জাহাজগুলোর উচ্চতা নির্ধারণ করতে হবে। ব্রিজের হাইটের চেয়ে নদীতে বেশি পিলারের কারণে সিলট্রেশন হয়ে যাচ্ছে। নদীতে ব্রিজ তৈরির ক্ষেত্রে যাতে কম পিলার থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।