কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৬:১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ৩৮ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা হল রুমে এই পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ডঃ আজিজুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মুন্সী তোফায়েল হোসেন, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার আজিজুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিআরডিবির চোয়ারম্যান আলী আজম ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে পার্টনার কংগ্রেস সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন সদর উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার সালমা সুলতানা। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা বেগম জানান, পার্টনার কংগ্রেস প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ২৫ জন কৃষক নিয়ে পার্টনার ফিল্ড স্কুল চলে। এই পার্টনার স্কুলে ১০ সপ্তাহব্যাপি ক্লাস হয়। পরে এই কৃষকদের নিয়ে একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে এই গ্রুপটা ওই এলাকায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে কাজ করে। পরিবেশ বান্ধব সবজি চাষ করা, কিভাবে ধানের জমিতে পোকা মাকড়রোধ করা যায়, কিভাবে নতুন নতুন ধান ও ফসল চাষাবাদ করা যায়, নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে এই গ্রুপগুলো দক্ষ। এই গ্রুপ গুলোকে নিয়ে প্রতি বছর একটা কংগ্রেস হয়। এটা কৃষকদের একটা মিলনমেলা। এখানে এসে তারা তাদের সংগঠনকে আরো কিভাবে দক্ষ করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ক্লাস নেওয়ার জন্যই এই কংগ্রেস।
তিনি আরো জানান, পার্টনার কংগ্রেসের আলোচনায় কৃষক পার্টনার স্কুলের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতনতা সৃষ্টি করা, অর্গানিক ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করা, সঠিক পদ্ধতিতে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করা হয়। পার্টনার কংগ্রেসে সদর উপজেলার ৭০ জন কৃষক-কৃষাণী এবং ৩০ জন বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উত্তম কৃষি চর্চা ফলন ও জৈব প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়।



















