ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ২৩ বার পঠিত

রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের বর্তমান রপ্তানি আয় প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলারের পর্যায় থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতকে পরিকল্পিতভাবে নীতিগত সহায়তা, গবেষণা কার্যক্রম এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের আলোকে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও পরামর্শমূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা এবং আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি করা। এ জন্য শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের ধারণা সময়োপযোগী হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির একটি বড় বাধা। তাই ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।

লেদার ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, বিদ্যমান অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও পরিচালনা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় শিল্প দ্রুত আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে পারে।

পাট শিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কাঁচা পাট রপ্তানির পরিবর্তে মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট-ভিত্তিক ফ্যাব্রিক উৎপাদন করলে অনেক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। এ খাতে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, শিল্পোন্নয়নের জন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।

বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে সরকার শুনতে এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলাই মন্ত্রণালয়ের অন্যতম লক্ষ্য।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।

বাণিজ্য সচিব জানান, এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা ও চাহিদার ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় ব্যবসায়ী সংগঠন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রপ্তানি খাতের পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকে জাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি। ব্যবসা সহজীকরণ, ডিজিটালাইজেশন, নীতিগত সহায়তা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার মাধ্যমে একটি কার্যকর ও টেকসই কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং সম্ভাব্যভাবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-কে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে যুক্ত করে প্রকল্পটি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে এবং এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইসিফোর-জে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি। কর্মশালায় বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগস :

৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের বর্তমান রপ্তানি আয় প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলারের পর্যায় থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতকে পরিকল্পিতভাবে নীতিগত সহায়তা, গবেষণা কার্যক্রম এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারলে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বেসরকারি খাতগুলোর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা মূল্যায়ন গবেষণা’ শীর্ষক প্রতিবেদনের আলোকে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ডিপিপি উপস্থাপন ও পরামর্শমূলক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছে। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা এবং আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরি করা। এ জন্য শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোর-জে) প্রকল্পের ধারণা সময়োপযোগী হলেও প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির একটি বড় বাধা। তাই ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।

লেদার ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের উন্নয়নের বিষয়ে তিনি জানান, বিদ্যমান অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও পরিচালনা কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশীয় শিল্প দ্রুত আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে পারে।

পাট শিল্পের সম্ভাবনা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কাঁচা পাট রপ্তানির পরিবর্তে মূল্য সংযোজিত পাটপণ্য ও জুট-ভিত্তিক ফ্যাব্রিক উৎপাদন করলে অনেক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। এ খাতে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চীনের সঙ্গে যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, শিল্পোন্নয়নের জন্য সরকার, বেসরকারি খাত এবং একাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সফল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য, কার্যক্রম ও ফলাফল নিয়মিত মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন।

বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে সরকার শুনতে এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলাই মন্ত্রণালয়ের অন্যতম লক্ষ্য।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র্যাপিড)-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।

বাণিজ্য সচিব জানান, এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে বেসরকারি খাতের অভিজ্ঞতা ও চাহিদার ভিত্তিতে খাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

তিনি বলেন, স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন কর্মশালায় ব্যবসায়ী সংগঠন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রপ্তানি খাতের পুনরুদ্ধার, পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকে জাতীয় বাজেটের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি। ব্যবসা সহজীকরণ, ডিজিটালাইজেশন, নীতিগত সহায়তা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার মাধ্যমে একটি কার্যকর ও টেকসই কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং সম্ভাব্যভাবে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-কে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে যুক্ত করে প্রকল্পটি পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই প্রকল্প দেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে এবং এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইসিফোর-জে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সেখ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট হোসনা ফেরদৌস সুমি। কর্মশালায় বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।