লিটারে ১০ টাকা কমলো সয়াবিন তেলের দাম, ১ মার্চ থেকে কার্যকর
- আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২১৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন মূল্য ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। ‘পণ্যের মূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা’ বিষয়ক টাক্সফোর্সের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সম্প্রতি ভোজ্যতেলের ওপর শুল্ক কমানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে টিকে গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, এস আলম, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। আমি ওনাদের বলেছি, প্রধানমন্ত্রী প্রত্যাশা করেন আমাদের যারা শিল্প এবং ব্যবসায়ী বড় আকারের আছেন তাদেরও সোশ্যাল একটা দায়িত্ব আছে। সবকিছু বিবেচনায় বলবো না যৌক্তিকভাবে, কিছুটা অযৌক্তিকভাবেও আমরা উনাদের অনুরোধ করেছি এবং উনারা ভোজ্যতেলের দাম ১০ টাকা প্রতি লিটারে কমানোর জন্য একমত হয়েছেন। উনারা নিজেরাই প্রস্তাবটা করেছেন।
তিনি বলেন, রমজানে প্রতি লিটার বোতলের সর্বোচ্চ বাজারমূল্য ১৬৩ টাকা করার বিষয়ে আমরা সমঝোতায় পৌঁছেছি। দাম ছিল ১৭৩ টাকা আর আগের বছর ছিল ১৮৫ টাকা।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সার্কুলার এসেছে ৮ ফেব্রুয়ারি, বিদেশ থেকে যেকোনো জাহাজ আসতে প্রায় এক মাস সময় লাগে এবং ক্লিয়ার করে ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছাতে ন্যূনতম দুই মাস সময় লাগে। আমাদের দুই মাস রমজান নেই। তারা আমাদের বিশেষ অনুরোধে ১ মার্চ থেকে বাজারদর বাস্তবায়ন করবে।
টিটু বলেন, যেহেতু তেলের সঙ্গে অনেক কিছু সম্পৃক্ত, ভোক্তা পর্যায়ে একটি স্বস্তি বাজারে আসবে এবং খুচরায় যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনবো। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি লুস পর্যায়ে সর্বোচ্চ মূল্য থাকবে ১৪৯ টাকা। আর পাঁচ লিটারের বোতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে। আশা করছি, এতে আমাদের ভোক্তা সাধারণ উপকৃত হবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীরা নিশ্চিত করেছেন যে আগামী রমজানে বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ যথেষ্ট।
তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে, ডলারে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। তারপরও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন ব্যবসায়ীরা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কিছু পরিবর্তন করেছে।
তিনি আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং তারা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
পাশাপাশি আগামী বাজেটে প্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এনবিআরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে- যোগ করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
























