ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

ভোটের পর ইতিবাচক শেয়ারবাজার, বাজার মূলধনে যোগ হলো ৫ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৪২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের শেয়ারবাজারে অব্যাহত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ভোটের পর লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই সূচকের বড় উত্থান হয়েছেভ একই সঙ্গে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের গতিও।

এমন ইতিবাচক বাজারে বাজার মূলধন বেড়েছে। ভোটের পর গত সপ্তাহে চার কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে। একই সময়ে, লেনদেন বেড়েছে ৩৭ শতাংশের বেশি। আর প্রধান মূল্য সূচক বেড়েছে ৫৭ পয়েন্টের বেশি।

গত ৭ জানুয়ারি বহুল আলোচিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। তবে এই ভোটের আগে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেয়। এতে আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকেন। ফলে একদিকে লেনদেনের গতি কমে যায়, অন্যদিকে দরপতন স্বাভাবিক হয়ে উঠে শেয়ারবাজারে।

স্বাভাবিক পরিবেশে ভোট এবং নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় শেয়ারবাজারেও যেনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে ভোটের পরের সপ্তাহজুড়েই দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান।

এতে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩টির। আর ২০০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম অপরিবর্তিত থাকা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইসে (সর্বনিম্ন দাম) আটকে রয়েছে। ক্রেতা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। তবে ভোটের পর বাজারে কিছুটা গতি বাড়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে এসেছে।

দাম কমার তুলনায় চারগুণ বেশি প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় থাকায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। যা গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ১১০ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৭.৫৩ পয়েন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়েছে। অআগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ২ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা এক দশমিক ১৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি শূন্য দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বাড়ে।

ভোটের পর ইতিবাচক শেয়ারবাজার, বাজার মূলধনে যোগ হলো ৫ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:০৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের শেয়ারবাজারে অব্যাহত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ভোটের পর লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই সূচকের বড় উত্থান হয়েছেভ একই সঙ্গে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের গতিও।

এমন ইতিবাচক বাজারে বাজার মূলধন বেড়েছে। ভোটের পর গত সপ্তাহে চার কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে। একই সময়ে, লেনদেন বেড়েছে ৩৭ শতাংশের বেশি। আর প্রধান মূল্য সূচক বেড়েছে ৫৭ পয়েন্টের বেশি।

গত ৭ জানুয়ারি বহুল আলোচিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপিবিহীন এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। তবে এই ভোটের আগে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেয়। এতে আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকেন। ফলে একদিকে লেনদেনের গতি কমে যায়, অন্যদিকে দরপতন স্বাভাবিক হয়ে উঠে শেয়ারবাজারে।

স্বাভাবিক পরিবেশে ভোট এবং নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় শেয়ারবাজারেও যেনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে ভোটের পরের সপ্তাহজুড়েই দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান।

এতে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩টির। আর ২০০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম অপরিবর্তিত থাকা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ফ্লোর প্রাইসে (সর্বনিম্ন দাম) আটকে রয়েছে। ক্রেতা না থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট বিক্রি করতে পারছেন না বিনিয়োগকারীরা। তবে ভোটের পর বাজারে কিছুটা গতি বাড়ায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফ্লোর প্রাইসের ওপরে উঠে এসেছে।

দাম কমার তুলনায় চারগুণ বেশি প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় থাকায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। যা গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৫ হাজার ১১০ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৬৬ শতাংশ।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৭.৫৩ পয়েন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়েছে। অআগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ২ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। প্রধান মূল্যসূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গত সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বা এক দশমিক ১৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি শূন্য দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ বাড়ে।