দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে চান প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বিশ্বখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কারিকুলাম অনুসরণ করে দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ অনুষ্ঠান ‘বই উৎসব’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে যত টাকা লাগে আমরা দেব। আন্তর্জাতিক যত নামি-দামি বিশ্ববিদ্যালয় আছে- তারা কীভাবে শিক্ষা দেয়? কী কারিকুলাম শিখায়? কীভাবে? কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে? আমরা সেই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশে তৈরি করতে চাই। পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা (দেওয়া), যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
শেখ হাসিনা জানান, তিনি শৈশব থেকেই আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি দেশ গড়ে তুলতে চান। এছাড়াও, তার সরকার কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন,আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন একটি জাতি আমরা গড়ে তুলতে চাই। সেজন্য যা যা করণীয় এরই মধ্যে আমরা করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান যুগ আধুনিক প্রযুক্তির যুগ। আমরা কখনই পিছিয়ে থাকব না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তাই আমরা চাই আমাদের ছেলে মেয়েরা এই অল্প বয়স থেকেই কম্পিউটার শিখুক এবং প্রযুক্তি শিখুক।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি উদ্ধৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে যে খরচ সেটাকে জাতির পিতা খরচ হিসেবে মনে করতেন না, বরং এটাও এক ধরনের বিনিয়োগ।
শিক্ষার্থীদের মন দিয়ে লেখাপড়া করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, লেখাপড়া শিখতে হবে। মানুষের মত মানুষ হতে হবে লেখাপড়া শিখে। লেখাপড়া ছাড়া জীবনটা ব্যর্থ হয়ে যায়। ধনসম্পদ অনেক কিছু থাকতে পারে কিন্তু শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
তিনি বলেন, আগামী দিনে এই ছেলেমেয়েরাই তো একদিন আমার মত প্রধানমন্ত্রী হবে মন্ত্রী হবে বা ভালো শিক্ষক হবে।
দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে চাই। একমাত্র শিক্ষাই, শিক্ষিত জাতি ছাড়া একটা দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হয় ন। এজন্য আমরা শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করতে চান প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিনিধি:
বিশ্বখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কারিকুলাম অনুসরণ করে দেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ অনুষ্ঠান ‘বই উৎসব’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে যত টাকা লাগে আমরা দেব। আন্তর্জাতিক যত নামি-দামি বিশ্ববিদ্যালয় আছে- তারা কীভাবে শিক্ষা দেয়? কী কারিকুলাম শিখায়? কীভাবে? কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে? আমরা সেই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশে তৈরি করতে চাই। পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা (দেওয়া), যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।
শেখ হাসিনা জানান, তিনি শৈশব থেকেই আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি দেশ গড়ে তুলতে চান। এছাড়াও, তার সরকার কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি বলেন,আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন একটি জাতি আমরা গড়ে তুলতে চাই। সেজন্য যা যা করণীয় এরই মধ্যে আমরা করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান যুগ আধুনিক প্রযুক্তির যুগ। আমরা কখনই পিছিয়ে থাকব না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। তাই আমরা চাই আমাদের ছেলে মেয়েরা এই অল্প বয়স থেকেই কম্পিউটার শিখুক এবং প্রযুক্তি শিখুক।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি উদ্ধৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে যে খরচ সেটাকে জাতির পিতা খরচ হিসেবে মনে করতেন না, বরং এটাও এক ধরনের বিনিয়োগ।
শিক্ষার্থীদের মন দিয়ে লেখাপড়া করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, লেখাপড়া শিখতে হবে। মানুষের মত মানুষ হতে হবে লেখাপড়া শিখে। লেখাপড়া ছাড়া জীবনটা ব্যর্থ হয়ে যায়। ধনসম্পদ অনেক কিছু থাকতে পারে কিন্তু শিক্ষা এমন একটা জিনিস যা কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
তিনি বলেন, আগামী দিনে এই ছেলেমেয়েরাই তো একদিন আমার মত প্রধানমন্ত্রী হবে মন্ত্রী হবে বা ভালো শিক্ষক হবে।
দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, আমরা বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে চাই। একমাত্র শিক্ষাই, শিক্ষিত জাতি ছাড়া একটা দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হয় ন। এজন্য আমরা শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

























