ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

কেউ জায়গা করে দেয় না, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হয়:প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৬২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

কেউ জায়গা করে দেয় না, জায়গা করে নিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সংগঠন করে, মানুষের জন্য কাজ করে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হবে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে মহিলা আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ১৫০০ এরও বেশি নারী প্রার্থী সাক্ষাৎকারে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী প্রার্থীদের বসন্তের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজ বসন্ত, আমার গণভবন ফুলে ফুলে সজ্জিত। গণভবনে আপনারা এসেছেন। আমার গণভবন ধন্য হয়েছে। এরপর তিনি নারী প্রার্থীদের বিভাগ ওয়ারী পরিচিতি করে দিন। প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী, পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের সরকারি নারী আসনে এমপি প্রার্থীরা দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি আমি হয়তো সবাইকে সংসদ সদস্য বানাতে পারব না। তবে অন্যান্য জায়গায় আমি তাদের সংগঠনের মতো স্থান দেওয়ার চেষ্টা করি। তাদেরকে জায়গা করে দেই।

প্রধানমন্ত্রী নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেউ জায়গা করে দিতে চায় না। জায়গা করে নিতে হয়। সংগঠন করতে হয়। মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। আপনারা সেটাই করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে আমি নারী নেতৃত্ব তৈরি করেছি। বিএনপি জামাতের দ্বারা আমাদের বহু নেতা কর্মী নির্যাতিত। বিএনপি-জামাত দেশের শত্রু স্বাধীনতার শত্রু। তারা নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। বিপ্লব করতে করতে বিএনপি ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ করা, আমরা তা পেরেছি। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এখন আমাদের টার্গেট স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। সবদিক থেকে এগিয়ে থাকবে। আমরা সেদিকেই এগুচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৮১ সালে আসার পর আমার যাত্রা সহজ ছিল না। প্রতিটি পদক্ষেপে ছিল বাঁধা। প্রতিকূল পরিবেশ কিন্তু মানুষের ভালোবাসাই ছিল আমার একমাত্র শক্তি। আর সেই শক্তি নিয়েই আমি পথ চলছি। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে একসময় অবহেলার চোখে দেখা হতো। বিশ্ব এখন বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে।

নারীর ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নারীরা অবহেলিত ছিল। নারীর ক্ষমতায়নে আমি কাজ শুরু করি। প্রশাসনে বড় কোনো পদে নারীরা ছিল না। নারী সচিব ছিল না। নারী বিচারপতি ছিল না। পুলিশের বড় পদে ছিল না। সেনাবাহিনীতে ছিল না। আমি সব ব্যবস্থা করে দেই। ব্যবস্থা নিয়ে আমি নারীদের প্রতিটি জায়গায় স্থান করে দেই। এখন সমাজের প্রতিটি জায়গায় নারীরা জায়গা করে নিয়েছে। এখন মেয়েদেরকে যেখানেই আমরা দেই, সেখানেই তারা সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে। মেয়েদের পরীক্ষা তো রেজাল্ট এখন অনেক ভালো হয়। খেলাধুলাতেও মেয়েরা এখন অনেক এগিয়ে। আজকে মেয়েরা চ্যাম্পিয়নও হয়।

এসময় মুন্সীগঞ্জে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক দেয়ায় তার সফলতার কথা তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

 

কেউ জায়গা করে দেয় না, মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হয়:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:১৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

কেউ জায়গা করে দেয় না, জায়গা করে নিতে হয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সংগঠন করে, মানুষের জন্য কাজ করে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হবে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে মহিলা আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ১৫০০ এরও বেশি নারী প্রার্থী সাক্ষাৎকারে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারী প্রার্থীদের বসন্তের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আজ বসন্ত, আমার গণভবন ফুলে ফুলে সজ্জিত। গণভবনে আপনারা এসেছেন। আমার গণভবন ধন্য হয়েছে। এরপর তিনি নারী প্রার্থীদের বিভাগ ওয়ারী পরিচিতি করে দিন। প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী, পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম, বরিশাল, ময়মনসিংহ, খুলনা, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের সরকারি নারী আসনে এমপি প্রার্থীরা দাঁড়িয়ে স্লোগান দেন।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, আমি জানি আমি হয়তো সবাইকে সংসদ সদস্য বানাতে পারব না। তবে অন্যান্য জায়গায় আমি তাদের সংগঠনের মতো স্থান দেওয়ার চেষ্টা করি। তাদেরকে জায়গা করে দেই।

প্রধানমন্ত্রী নারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কেউ জায়গা করে দিতে চায় না। জায়গা করে নিতে হয়। সংগঠন করতে হয়। মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। আপনারা সেটাই করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে আমি নারী নেতৃত্ব তৈরি করেছি। বিএনপি জামাতের দ্বারা আমাদের বহু নেতা কর্মী নির্যাতিত। বিএনপি-জামাত দেশের শত্রু স্বাধীনতার শত্রু। তারা নির্বাচন ঠেকাতে চেয়েছিল। বিপ্লব করতে করতে বিএনপি ক্ষয়িষ্ণু হয়ে যাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্য ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ করা, আমরা তা পেরেছি। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এখন আমাদের টার্গেট স্মার্ট বাংলাদেশ গড়বো। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ কোনোভাবেই পিছিয়ে থাকবে না। সবদিক থেকে এগিয়ে থাকবে। আমরা সেদিকেই এগুচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৮১ সালে আসার পর আমার যাত্রা সহজ ছিল না। প্রতিটি পদক্ষেপে ছিল বাঁধা। প্রতিকূল পরিবেশ কিন্তু মানুষের ভালোবাসাই ছিল আমার একমাত্র শক্তি। আর সেই শক্তি নিয়েই আমি পথ চলছি। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে একসময় অবহেলার চোখে দেখা হতো। বিশ্ব এখন বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে।

নারীর ক্ষমতায়নের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, নারীরা অবহেলিত ছিল। নারীর ক্ষমতায়নে আমি কাজ শুরু করি। প্রশাসনে বড় কোনো পদে নারীরা ছিল না। নারী সচিব ছিল না। নারী বিচারপতি ছিল না। পুলিশের বড় পদে ছিল না। সেনাবাহিনীতে ছিল না। আমি সব ব্যবস্থা করে দেই। ব্যবস্থা নিয়ে আমি নারীদের প্রতিটি জায়গায় স্থান করে দেই। এখন সমাজের প্রতিটি জায়গায় নারীরা জায়গা করে নিয়েছে। এখন মেয়েদেরকে যেখানেই আমরা দেই, সেখানেই তারা সাফল্যের সঙ্গে কাজ করে। মেয়েদের পরীক্ষা তো রেজাল্ট এখন অনেক ভালো হয়। খেলাধুলাতেও মেয়েরা এখন অনেক এগিয়ে। আজকে মেয়েরা চ্যাম্পিয়নও হয়।

এসময় মুন্সীগঞ্জে প্রথম নারী জেলা প্রশাসক দেয়ায় তার সফলতার কথা তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।