ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পবিত্র ঈদে-মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে মাছিয়াতা দরবার শরীফে তিনশতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী মহা সম্মেলন ও ৫৬ তম ওরশ মাহফিল সম্পন্ন Logo শালিস-থানা-এমপি মানল না’—গালুয়া বাজারে জমি জবরদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo আওয়ারাপন ২ বক্স অফিস: ২০০ কোটির দোরগোড়ায় ইমরান হাশমির সিনেমা Logo অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্ট ও সাদা বলের সিরিজ Logo অসহায় ৯০ বছরের জারিনার পাশে জেলা প্রশাসন, নির্মাণ করে দেয়া হবে নতুন ঘর Logo কেরালার নাম বদলে ‘কেরালম’ Logo সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন: আইনমন্ত্রী Logo Xpulse 200 সিরিজ নিয়ে বিশেষ মিডিয়া টেস্ট রাইড আয়োজন করল হিরো বাংলাদেশ Logo খাদ্যজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ‘ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং’ চালুর তাগিদ

কফির উপকারীতা থাকলেও কারো কারো জন্য তা বিপজ্জনক!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ৩১৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি কফি প্রেমী রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই তাদের সকাল শুরু করেন এক কাপ কফি দিয়ে। এমনকি অফিসে কিছু জটিল কাজে বসার আগে এক কাপ কফিতে চুমুক না দিলে তাদের প্রশান্তি মিলে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কফিতে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে। এমনকি হতাশা, দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করার কাজেও এই পানীয়টির জুড়ি মেলা ভার। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে কোনো শারীরিক জটিলতার আশঙ্কা নেই।

কিন্তু উপকারী এই পানীয়টি কারো কারো জন্য বিষের মতোও হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কার জন্য কফি হতে পারে বিপজ্জনক-

আইবিএস: আইবিএস একটি জটিল পেটের ব্যাধি। এই রোগে আক্রান্তরা প্রায়ই ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। আর এসব রোগী কফি পান করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই আইবিএস-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের কফি থেকে দূরে থাকা উচিত। বিশেষ করে দুধের সাথে কফি তাদের জন্য প্রায় বিষ।

গ্লুকোমা: গ্লুকোমা চোখের একটি জটিল রোগ। এই রোগের কারণে দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও কফি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে অত্যধিক ক্যাফেইন গ্রহণ করলে গ্লুকোমা সমস্যা দ্রুত হারে খারাপ হতে পারে।

ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডার: কফির মধ্যে ডাইউরেটিক্স উপাদান থাকে, যা প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়। আর এ কারণেই কফি পানে ব্লাডার ডিজিজে আক্রান্তদের সমস্যা আরও বাড়ে। বারবার প্রস্রাবে দৌড়াতে হয় তাকে। এমনকি প্রস্রাব লিক করারও ঝুঁকি থাকে। তাই ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে আপনাকে অবশ্যই কফি এড়িয়ে যেতে হবে। না হলে সমস্যার শেষ থাকবে না।

অ্যারিদমিয়া: অ্যারিদমিয়ার মতো একটি জটিল হৃদরোগে ভুক্তভোগীরা কফির থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন। কারণ কফিতে মজুত থাকা ক্যাফেইন সাময়িকভাবে ব্লাড প্রেশার ও হার্ট রেট বাড়িয়ে দিতে পারে। আর এ কারণে ভয়াবহ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া যাদের এরই মধ্যে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তারাও এই পানীয় এড়িয়ে চলুন।

গর্ভাবস্থায় চা এবং কফি খাওয়া উচিত নয়। এটি গর্ভবতী মায়ের গর্ভপাত, অকাল প্রসব থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

কফির উপকারীতা থাকলেও কারো কারো জন্য তা বিপজ্জনক!

আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি কফি প্রেমী রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই তাদের সকাল শুরু করেন এক কাপ কফি দিয়ে। এমনকি অফিসে কিছু জটিল কাজে বসার আগে এক কাপ কফিতে চুমুক না দিলে তাদের প্রশান্তি মিলে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কফিতে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে। এমনকি হতাশা, দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করার কাজেও এই পানীয়টির জুড়ি মেলা ভার। তাই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে কোনো শারীরিক জটিলতার আশঙ্কা নেই।

কিন্তু উপকারী এই পানীয়টি কারো কারো জন্য বিষের মতোও হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কার জন্য কফি হতে পারে বিপজ্জনক-

আইবিএস: আইবিএস একটি জটিল পেটের ব্যাধি। এই রোগে আক্রান্তরা প্রায়ই ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। আর এসব রোগী কফি পান করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। তাই আইবিএস-এ আক্রান্ত ব্যক্তিদের কফি থেকে দূরে থাকা উচিত। বিশেষ করে দুধের সাথে কফি তাদের জন্য প্রায় বিষ।

গ্লুকোমা: গ্লুকোমা চোখের একটি জটিল রোগ। এই রোগের কারণে দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও কফি পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে যে অত্যধিক ক্যাফেইন গ্রহণ করলে গ্লুকোমা সমস্যা দ্রুত হারে খারাপ হতে পারে।

ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডার: কফির মধ্যে ডাইউরেটিক্স উপাদান থাকে, যা প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়। আর এ কারণেই কফি পানে ব্লাডার ডিজিজে আক্রান্তদের সমস্যা আরও বাড়ে। বারবার প্রস্রাবে দৌড়াতে হয় তাকে। এমনকি প্রস্রাব লিক করারও ঝুঁকি থাকে। তাই ওভার অ্যাক্টিভ ব্লাডারের সমস্যা থাকলে আপনাকে অবশ্যই কফি এড়িয়ে যেতে হবে। না হলে সমস্যার শেষ থাকবে না।

অ্যারিদমিয়া: অ্যারিদমিয়ার মতো একটি জটিল হৃদরোগে ভুক্তভোগীরা কফির থেকে যতটা সম্ভব দূরত্ব বজায় রাখুন। কারণ কফিতে মজুত থাকা ক্যাফেইন সাময়িকভাবে ব্লাড প্রেশার ও হার্ট রেট বাড়িয়ে দিতে পারে। আর এ কারণে ভয়াবহ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া যাদের এরই মধ্যে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তারাও এই পানীয় এড়িয়ে চলুন।

গর্ভাবস্থায় চা এবং কফি খাওয়া উচিত নয়। এটি গর্ভবতী মায়ের গর্ভপাত, অকাল প্রসব থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।