ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮২ মিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২১০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ঋণ মওকুফের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮২ মিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এক বার্তায় তিনি বলেন, আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি আজ আইএমএফের বোর্ড সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। এই দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ ৬৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পাবে।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় এই ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই সংস্থাটি ৪৭৬.৩ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করে। পুরো অর্থ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাতটি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণের দ্বিতীয় ধাপের জন্য গত জুনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সূচকের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে ৪ অক্টোবর ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসে। মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিশনকে জানানো হয়, অন্যান্য পরিস্থিতিতে অগ্রগতি হলেও বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কারণে রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। দেশের জাতীয় নির্বাচনের পর এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হবে। টানা ১৬ দিন মিশন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়ে চিঠি দেয়। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

এ সময় প্রতিনিধি দলটি ঢাকা ছাড়ার আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি। আগামী ফেব্রুয়ারি (চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি) মাসে ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের মধ্যে সব ঋণ পাওয়া যাবে।

আইএমএফ ডিএমডির বাংলাদেশ সফরের পর প্রথম বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ঋণ অনুমোদন করা হয়।

আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮২ মিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ঋণ মওকুফের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮২ মিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এক বার্তায় তিনি বলেন, আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি আজ আইএমএফের বোর্ড সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। এই দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ ৬৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পাবে।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় এই ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই সংস্থাটি ৪৭৬.৩ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করে। পুরো অর্থ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাতটি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণের দ্বিতীয় ধাপের জন্য গত জুনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সূচকের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে ৪ অক্টোবর ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসে। মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিশনকে জানানো হয়, অন্যান্য পরিস্থিতিতে অগ্রগতি হলেও বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কারণে রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। দেশের জাতীয় নির্বাচনের পর এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হবে। টানা ১৬ দিন মিশন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়ে চিঠি দেয়। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

এ সময় প্রতিনিধি দলটি ঢাকা ছাড়ার আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি। আগামী ফেব্রুয়ারি (চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি) মাসে ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের মধ্যে সব ঋণ পাওয়া যাবে।

আইএমএফ ডিএমডির বাংলাদেশ সফরের পর প্রথম বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ঋণ অনুমোদন করা হয়।