ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮২ মিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৩৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ঋণ মওকুফের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮২ মিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এক বার্তায় তিনি বলেন, আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি আজ আইএমএফের বোর্ড সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। এই দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ ৬৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পাবে।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় এই ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই সংস্থাটি ৪৭৬.৩ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করে। পুরো অর্থ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাতটি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণের দ্বিতীয় ধাপের জন্য গত জুনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সূচকের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে ৪ অক্টোবর ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসে। মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিশনকে জানানো হয়, অন্যান্য পরিস্থিতিতে অগ্রগতি হলেও বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কারণে রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। দেশের জাতীয় নির্বাচনের পর এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হবে। টানা ১৬ দিন মিশন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়ে চিঠি দেয়। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

এ সময় প্রতিনিধি দলটি ঢাকা ছাড়ার আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি। আগামী ফেব্রুয়ারি (চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি) মাসে ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের মধ্যে সব ঋণ পাওয়া যাবে।

আইএমএফ ডিএমডির বাংলাদেশ সফরের পর প্রথম বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ঋণ অনুমোদন করা হয়।

আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৮২ মিলিয়ন ডলার পাবে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় ধাপের ঋণ মওকুফের অনুমোদন দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮২ মিলিয়ন ডলার ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এক বার্তায় তিনি বলেন, আইএমএফের ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি আজ আইএমএফের বোর্ড সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। এই দ্বিতীয় কিস্তিতে বাংলাদেশ ৬৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ পাবে।

আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪.৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় এই ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই সংস্থাটি ৪৭৬.৩ মিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ছাড় করে। পুরো অর্থ ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাতটি কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে।

ঋণের দ্বিতীয় ধাপের জন্য গত জুনের ভিত্তিতে বিভিন্ন সূচকের শর্ত পূরণের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে ৪ অক্টোবর ঢাকায় আইএমএফের একটি মিশন আসে। মিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিশনকে জানানো হয়, অন্যান্য পরিস্থিতিতে অগ্রগতি হলেও বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ কারণে রিজার্ভ ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়নি। দেশের জাতীয় নির্বাচনের পর এ বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হবে। টানা ১৬ দিন মিশন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ আইএমএফের কাছে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ চেয়ে চিঠি দেয়। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করে।

এ সময় প্রতিনিধি দলটি ঢাকা ছাড়ার আগে গত ৯ নভেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম সেভাবে আইএমএফের ঋণ পেতে যাচ্ছি। আগামী ফেব্রুয়ারি (চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি) মাসে ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়া যাবে। ২০২৬ সালের মধ্যে সব ঋণ পাওয়া যাবে।

আইএমএফ ডিএমডির বাংলাদেশ সফরের পর প্রথম বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ঋণ অনুমোদন করা হয়।