শীতকালে বাড়তে পারে ডায়াবেটিসের মাত্রা, নিয়ন্ত্রণে যা খাবেন
- আপডেট সময় : ০২:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৩৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
শীতকালে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কারণ এ সময় বেশির ভাগ মানুষই খাওয়া-দাওয়া এবং ব্যায়ামের প্রতি উদাসীন থাকে। তাই এই মৌসুমে ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্ক থাকা জরুরি।
তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নিয়ম মেনে খাওয়ার পাশাপাশি ব্যায়াম করা জরুরি। ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি, ডায়াবেটিসের মাত্রা যাতে বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম না করে তা নিশ্চিত করার জন্য খাওয়া-দাওয়ার একটি রুটিন অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে শীতকালে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার খাবেন-
গাজর:কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি গাজর রান্না করেও খাওয়া যায়। গাজরের গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকে, তাই এগুলি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি আদর্শ খাবার। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এছাড়া গাজরে বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। এটি চাক্ষুষ তীক্ষ্ণতা উন্নত করতে এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির ঝুঁকি কমাতেও অবদান রাখে।
কমলা:কমলা একটি সাইট্রাস ফল। এতে পটাসিয়াম, ফাইবার এবং ভিটামিন সি রয়েছে। যেহেতু এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে, তাই এটি খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ে না। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভিটামিন সি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায়। গবেষণা অনুসারে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যারা প্রতিদিন ১০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ করেন তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকে।
সবুজ শাক-সবজি:শীতে শরীরের যত্ন নেয় সবুজ শাকসবজি। ডায়াবেটিস রোগীদের বেশি করে সবুজ শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। শাকসবজিতে খনিজ, ভিটামিন, আঁশের মতো উপকারী উপাদান রয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশি করে শাকসবজি খান।
বাদাম:বাদাম এবং অন্যান্য ধরনের শস্য রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। আখরোট, বাদাম এবং চিয়া বীজ স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ।
মশলা:কিছু মসলা আছে যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে। যেমন দারুচিনি এবং হলুদ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। এগুলোতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা প্রদাহজনিত যে কোনো সমস্যা সমাধান করে। একই সঙ্গে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও এই মসলাগুলো দারুণ কার্যকরী।


























