ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিজয়নগরে যাত্রীবাহি বাস খাদে পড়ে ১০ জন আহত Logo মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলসহ ৪ দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন Logo মাসে লাখ টাকা ভাতা পেয়েও ‘খেপ’ খেলছেন ফুটবলাররা, ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ‘সাকিব ভালো খেলোয়াড়, তবে মানুষ হিসেবে নষ্ট ও পচে যাওয়া’: তথ্য উপদেষ্টা Logo হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে: ট্রাম্প Logo এসএসসিতে অকৃতকার্যদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী: ‘ফলাফল তোমার পরিচয় নয়’ Logo ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার তালিকায় বিতর্কিত ছাত্রদল নেতার নাম, উঠছে প্রশ্ন Logo বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার  Logo ৫০ বছর শুধু প্রেসক্লাবের উৎসব নয়, পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উৎসব, এমপি শ্যামল  Logo ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ৭১ বার পঠিত
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর ও প্রধান আসামি আবুল খায়ের (৫৫) কে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। রোববার ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন এলাকার একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আবুল খায়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দের বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে। র‌্যাব জানায়, নিহত হামদু মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে আসামিদের গরু হামদু মিয়ার জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে। এতে তিনি বাধা দিলে আসামিদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। এর জের ধরে ঘটনার পরদিন সকাল ৯ টার দিকে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আবুল খায়েরের নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামদু মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামদু মিয়াকে রক্ষা করতে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে হামলাকারীরা তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গুরুতর আহত হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় নিহত হামদু মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল খায়েরসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিপিসি-১ ও সিলেটের সিপিএসসির একটি যৌথ দল রোববার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় ৩ আগস্ট দায়ের করা হত্যা মামলায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ট্যাগস :

বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার 

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর ও প্রধান আসামি আবুল খায়ের (৫৫) কে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। রোববার ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন এলাকার একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আবুল খায়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দের বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে। র‌্যাব জানায়, নিহত হামদু মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে আসামিদের গরু হামদু মিয়ার জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে। এতে তিনি বাধা দিলে আসামিদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। এর জের ধরে ঘটনার পরদিন সকাল ৯ টার দিকে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আবুল খায়েরের নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামদু মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামদু মিয়াকে রক্ষা করতে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে হামলাকারীরা তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গুরুতর আহত হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় নিহত হামদু মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল খায়েরসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিপিসি-১ ও সিলেটের সিপিএসসির একটি যৌথ দল রোববার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় ৩ আগস্ট দায়ের করা হত্যা মামলায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।