ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

একইদিনে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ দুই অবস্থানে ঢাকা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ দুই অবস্থানেই আজ রাজধানী ঢাকা। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৫৩ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) স্কোর ১৮৬ নিয়ে ঢাকার অবস্থান ছিলো শীর্ষে। তবে একটু বেলা পেরোনোর পর পরই অর্থাৎ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ১৮৯ স্কোর নিয়েও ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়তে চলে আসে।

এছাড়া, একিউআই স্কোর ২৩৯ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। সেখানকার বায়ুর মান খুবই অস্বাস্থ্যকর। আর করাচি ১৮৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ভারতের দিল্লি ১৮১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং কাতারের দোহা ১৭২ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

১৫১ এবং ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো-বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে। রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নতি হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হল ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ প্রকল্পের ধুলো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ু দূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে মৃত্যুহার বেড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।

একইদিনে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষ দুই অবস্থানে ঢাকা

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ দুই অবস্থানেই আজ রাজধানী ঢাকা। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৫৩ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) স্কোর ১৮৬ নিয়ে ঢাকার অবস্থান ছিলো শীর্ষে। তবে একটু বেলা পেরোনোর পর পরই অর্থাৎ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ১৮৯ স্কোর নিয়েও ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়তে চলে আসে।

এছাড়া, একিউআই স্কোর ২৩৯ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। সেখানকার বায়ুর মান খুবই অস্বাস্থ্যকর। আর করাচি ১৮৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ভারতের দিল্লি ১৮১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ এবং কাতারের দোহা ১৭২ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

১৫১ এবং ২০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। এছাড়াও, ২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

বাংলাদেশে একিউআই দূষণের পাঁচটি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো-বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে। রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে পড়ে এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নতি হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হল ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ প্রকল্পের ধুলো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ু দূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণে মৃত্যুহার বেড়েছে। ফলস্বরূপ, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়।