আমি চাই, আমার দেশের প্রত্যেকটি মানুষ ন্যায়বিচার পাক:শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ০২:১৭:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৯৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায় এ বিষয়ে আশা প্রকাশ করে টানা চারবারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাই, আমার দেশের মানুষ ন্যায়বিচার পাক। আমাদের মতো তাদেরও যেন বিচারহীনতায় কষ্ট পেতে না হয়।
শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দক্ষিণ এশিয়ার একবিংশ শতাব্দীর সাংবিধানিক আদালত: ভারত-বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার দেশের মানুষ যেন ন্যায়বিচার পায় এবং দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সুনিশ্চিত হয়। বাংলাদেশ যেন এগিয়ে চলে এবং ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব যেন চিরস্থায়ী হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা সরকারে আসার পর থেকে জনগণ যাতে ন্যায়বিচার পায় সেজন্য আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, মানবাধিকারের কথা শুনি, ন্যায় বিচারের কথা শুনি। সেই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার কি আমাদের ছিল না? আমি অনেকবারই হাইকোর্টে গিয়েছি, অনেক অনুষ্ঠানে গেছি। আমি যখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করি, আমি বারবার এই প্রশ্নটাই করেছি, বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। আমরা বিচার পাব না?
তিনি বলেন, আমরা যারা ১৫ আগস্ট আপনজন হারিয়েছি, আমরা বঞ্চিত থাকব। ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর অর্থাৎ ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাকেই ক্ষমতায় আসতে হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় এবং স্থিতিশীল পরিবেশ থাকায় তা সম্ভব হয়েছে। আজ এটা প্রমাণিত যে, মানুষের জীবনে ন্যায় বিচার প্রাপ্তি, আর্থ-সামাজিক উন্নতি, এটা একমাত্র হতে পরে যখন মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করার সুযোগ হয় এবং দেশটা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে।
এসময়, আওয়ামী লীগ সরকারই বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করেছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

























