শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৫:০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পঠিত

কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হককে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম ও র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক আনোয়ার লতিফ খানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিষয়ে আদেশ দেন। শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানো চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো চার আসামির মধ্যে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ছাড়াও রয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক আনোয়ার লতিফ খান। মিফতাহ উদ্দিনসহ চার আসামিকে মঙ্গলবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলাতক ৭ আসামিকে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ
মামলায় পলাতক সাত আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ।
এ ছাড়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা রুহুল আমিন, আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব মাহমুদও এ মামলার পলাতক আসামি। তাদের আত্মসমর্পণের জন্য জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
এর আগে গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।
মামলাটি টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হককে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগে ঘটনাটিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় আনার দাবি করা হয়েছে।
পরবর্তী শুনানি ৭ সেপ্টেম্বর
মঙ্গলবারের আদেশের পর মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমে এখন আত্মসমর্পণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।























