ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এজমালি সম্পত্তি একক খারিজে বিক্রয়ের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা জারি
- আপডেট সময় : ০৭:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ১০৯ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কাছাইট গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তি জবর দখল করে এজমালি সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা ছাড়াই খারিজ (নামজারি) করে বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে জমির আরেক ওয়ারিশ, ফরিদা বেগমের বিরুদ্ধে। খারিজ (নামজারি) জালিয়াতির অভিযোগ কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন মৃত জব্বারের ছেলে ফজল মিয়া।
ফজল মিয়া জানায়, উক্ত জমির ক্রেতা একই গ্রামের আজ্জম (৫০), জামাল মিয়া (৪০) ও ছায়েদ মিয়ার (৩৫) মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিএস ৮৬৭ নং খতিয়ানের ৭৯৯ নং দাগের ৩৩ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।
ফজল মিয়ার অভিযোগ, বিএস জরিপের সময় ভুলবশত তাঁর ও তাঁর স্বজনদের নাম বাদ পড়ায় প্রতিপক্ষরা ভুয়া ও জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর আগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে ভুয়া খারিজ (নামজরি) বাতিলের জন্য লিখিত আবেদনও করেন ফজল মিয়া। গত ৯ আগস্ট (রবিবার) সকালে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করলে এলাকায় শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফজল মিয়া বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারায় প্রতিকার চেয়ে মামলা (নং ৯৬৭/২০২৬) দায়ের করেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালত বিরোধীয় জমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেছেন।
আদালতের নির্দেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জায়গায় স্ব-স্ব অবস্থানে থাকতে এবং নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬। জমির ক্রেতাদের পক্ষে জামাল মিয়া জানায়, আদালত ষখন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সকল মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, ওই জমিতে আমরা যাবনা। মামলার বাদী ফজল মিয়ার দাবী, ভূমিদস্যুদের কবল থেকে আমার পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার করতে চাই।


















