ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার  Logo ৫০ বছর শুধু প্রেসক্লাবের উৎসব নয়, পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উৎসব, এমপি শ্যামল  Logo ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা ঘেরাও কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ Logo ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্বে জোর দিয়ে নতুন ৫জি স্মার্টফোন আনছে ইনফিনিক্স Logo স্মার্টফোন ডিসপ্লেতে নতুন যুগ: ০ মিমি বর্ডারলেস কনসেপ্ট আনল টেকনো Logo ভারতের পুনেতে জরুরি অবতরণের সময় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ Logo শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০এক্স Logo দীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং শক্তিশালী গরিলা গ্লাস ৭আই সুরক্ষা নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭ Logo ধামরাইয়ে দেপাশাই চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে

৫০ বছর শুধু প্রেসক্লাবের উৎসব নয়, পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উৎসব, এমপি শ্যামল 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পঠিত

 

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ  গৌরব ও ঐতিহ্যের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। আগামী বছরের (২০২৭ খ্রী.) জানুয়ারি মাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের প্রস্ততির অংশ হিসেবে গত শনিবার ৮ আগস্ট রাত সাড়ে ৮ টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লোগো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সভাপতি, জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে ও শারমিন সুলতানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছর উদযাপন নয়, আমরা এটিকে আগামী দিনে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উৎসব হিসেবে দেখতে চাই। এ আয়োজনকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। ঢাকায় বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদেরও এই উৎসবের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। সুবর্ণ জয়ন্তীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও স্মরণীয় আয়োজন উপভোগ করতে পারে।
তিনি বলেন, প্রেসক্লাবের অন্যতম ইতিবাচক দিক হলো সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা।
প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি আরো বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের পরে জেলা পর্যায়ে অবকাঠামোসহ সবদিক থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব অন্যতম। পেশাগত দিক থেকেও অন্যান্য জেলার চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদের মান অনেক এগিয়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাবের সবাই ঐক্যবদ্ধ। তাদের মধ্যে কোন বিবেদ নেই। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ঐক্যবদ্ধ হলেও জেলার ৯ টি উপজেলায় যে সব প্রেসক্লাব রয়েছে তারা কিন্তু বিচ্ছিন্ন। তাদেরকে কিভাবে কন্ট্রোলে আনা যায়, নিয়মতান্ত্রিক অবস্থায় আনা যায় আমি অনুরোধ করবো সেটি দেখার জন্য। প্রতিটি উপজেলায় ৩/৪ টি করে প্রেসক্লাব রয়েছে। এতে প্রশাসন অনেক সময় কনফিউজড। কোনটা আসল বুঝতে পারেননা। তারাও নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে যদি গনতান্ত্রিক ভাবে কমিটি গুলো হয় তারাও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হান্নান খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মোঃ হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবের পর দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রথম। সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম খান সাদাত, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আলম, কবি জয়দুল হোসেন, শেখ শহিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আল আমিন-শাহিন, পীযুষ কান্তি আচার্য্য, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, সাংবাদিক আবদুন নূর, শাহাদৎ হোসেন ও আশেক মান্নান হিমেল।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির কাছ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ করেন ওয়াসিকুর রহমান মোসতাক মোল্লা, দেওয়ান দিদারুল আলম ও খায়রুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনের মাধ্যমে আগামী জানুয়ারিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের আনুষ্ঠানিক প্রস্ততিও শুরু হলো।

ট্যাগস :

৫০ বছর শুধু প্রেসক্লাবের উৎসব নয়, পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর উৎসব, এমপি শ্যামল 

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

 

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ  গৌরব ও ঐতিহ্যের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। আগামী বছরের (২০২৭ খ্রী.) জানুয়ারি মাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের প্রস্ততির অংশ হিসেবে গত শনিবার ৮ আগস্ট রাত সাড়ে ৮ টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই লোগো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সভাপতি, জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে ও শারমিন সুলতানার সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছর উদযাপন নয়, আমরা এটিকে আগামী দিনে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উৎসব হিসেবে দেখতে চাই। এ আয়োজনকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। ঢাকায় বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদেরও এই উৎসবের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে। সুবর্ণ জয়ন্তীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও স্মরণীয় আয়োজন উপভোগ করতে পারে।
তিনি বলেন, প্রেসক্লাবের অন্যতম ইতিবাচক দিক হলো সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করা।
প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপি আরো বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের পরে জেলা পর্যায়ে অবকাঠামোসহ সবদিক থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব অন্যতম। পেশাগত দিক থেকেও অন্যান্য জেলার চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদের মান অনেক এগিয়ে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাবের সবাই ঐক্যবদ্ধ। তাদের মধ্যে কোন বিবেদ নেই। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব ঐক্যবদ্ধ হলেও জেলার ৯ টি উপজেলায় যে সব প্রেসক্লাব রয়েছে তারা কিন্তু বিচ্ছিন্ন। তাদেরকে কিভাবে কন্ট্রোলে আনা যায়, নিয়মতান্ত্রিক অবস্থায় আনা যায় আমি অনুরোধ করবো সেটি দেখার জন্য। প্রতিটি উপজেলায় ৩/৪ টি করে প্রেসক্লাব রয়েছে। এতে প্রশাসন অনেক সময় কনফিউজড। কোনটা আসল বুঝতে পারেননা। তারাও নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে যদি গনতান্ত্রিক ভাবে কমিটি গুলো হয় তারাও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নোমান মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হান্নান খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মোঃ হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হবে। জাতীয় প্রেসক্লাবের পর দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রথম। সুবর্ণজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাংবাদিকদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম খান সাদাত, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আলম, কবি জয়দুল হোসেন, শেখ শহিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আল আমিন-শাহিন, পীযুষ কান্তি আচার্য্য, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, সাংবাদিক আবদুন নূর, শাহাদৎ হোসেন ও আশেক মান্নান হিমেল।
আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এমপির কাছ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্যপদ গ্রহণ করেন ওয়াসিকুর রহমান মোসতাক মোল্লা, দেওয়ান দিদারুল আলম ও খায়রুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে লোগো উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনের মাধ্যমে আগামী জানুয়ারিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের আনুষ্ঠানিক প্রস্ততিও শুরু হলো।