ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দেশের বাজারে অনারের আল্ট্রা-স্লিম ফোল্ডেবল ‘ম্যাজিক ভি৬’ Logo সুস্থ সংস্কৃতি ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা গঠনে তরুণ সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য Logo একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন Logo ‘চাঁদা না দিলে রাস্তায় পড়ে থাকবে লাশ’: হিন্দু পল্লীতে আতঙ্ক Logo ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের সূচনা জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শালদুধ, প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান Logo নগরকান্দায় ৯ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগে তদন্তে পুলিশ Logo বাগেরহাটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ঘটনাস্থলে পুলিশ Logo কুমিল্লায় শাহীন স্কুলের বর্ণাঢ্য ফল উৎসব অনুষ্ঠিত Logo পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo মনোহরদীতে খাল খনন শেষে প্রকল্পের অর্ধেক অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৪৮ বার পঠিত

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।

ট্যাগস :

একটি হুইল চেয়ারই বদলে দিতে পারে প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবন

আপডেট সময় : ০৩:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

রাশেদুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি :-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়নের হুরুয়া (উ.পাড়া) দিলীপ দেবনাথের শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে দীপঙ্ক দেবনাথ। বাবাকে হারিয়েছেন ছয় বছর আগে। জন্মের পর স্বাভাবিক ভাবেই বেড়ে উঠছিল দীপঙ্কর। কিন্তু হঠাৎ একদিন প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তার পা দুটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে যায়- সেই থেকে তিনি প্রতিবন্ধী। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাকে থামিয়ে দিতে পারেনি। জন্মগত ভাবে সুস্থ দীপঙ্কর তীব্র জ্বরে পঙ্গু হলেও মা-বাবার বড় সন্তান হওয়ায় অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকে। শারীরিক অক্ষমতাকে জয় করে তিনি নিজ বাড়িতেই একটি ছোট দোকান দিয়েছেন। এ দোকানে তিনি ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ এবং হরেক রকমের মুদি মালামাল বিক্রি করেন। মুদির দোকানের সামান্য আয় দিয়ে ৫ সদস্যের সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। টানাপোড়েনই এখন তাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। দীপঙ্কর যে হুইল চেয়ারটিতে বসে দোকানে আসা যাওয়া, মানুষের সাথে কথা বলেন সেই হুইল চেয়ারটি এখন নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু অর্থের অভাবে নতুন একটি হুইল চেয়ার কেনার মত সামর্থ্য তার পরিবারের নাই। তার চলার শেষ সম্বলটুকু হুইল (চেয়ার) ভেঙে পড়ায় তিনি মানসিক ভাবে হতাশায় ভুগছেন। দীপঙ্কর কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন-“আমি পঙ্গু কিন্তু আমি ভিক্ষা করতে চাই না। আমার ছোট একটি দোকানটা আছে। শুধু একটা ভাল হুইল চেয়ার পেলে আমি আরও ভাল ভাবে ব্যবসা করতে পারব, সংসারটা চালাতে পারব। দেশবাসী ও প্রবাসী ভাই-বোনদের নিকট আমি সহযোগিতা কামনা করি।” একটি হুইল চেয়ারই পারে দীপঙ্করের জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে দিতে। পারে তার সংসারে স্বস্তি ফেরাতে। আপনারা যারা সমাজের পরোপকারী, সমাজ সেবক এবং প্রবাসী তাদের প্রতি অনুরোধ- আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় উপকৃত হতে পারে দীপঙ্করের পরিবার।