পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে:প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০১:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪ ২১৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাট রপ্তানিতে সরকারি প্রণোদনা ঘোষণা করে বলেছেন, পাট এমন একটি পণ্য যার চাহিদা কখনো শেষ হয় না। দেশের সম্পদ খুবই সীমিত। তাই এটিকে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাট শিল্প রপ্তানির জন্য বিশ্বে নতুন বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পাট দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সোনালি আঁশ, সোনালি দিনের হাতছানি দিচ্ছে মন্তব্য করে পাট থেকে উৎপাদিত রপ্তানিপণ্যে প্রণোদনা দেবে সরকার বলেও জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রপ্তানিপণ্য বহুমুখীকরণে পাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পাট থেকে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে। পাট থেকে উৎপাদিত রপ্তানিপণ্যে প্রণোদনা দেবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আবার ক্ষমতায় আসার পর পাটের ওপর গবেষণার ওপর জোর দেওয়া হয়, যার ফলে পাটের জন্ম রহস্য উদ্ভাবন হয়। পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। পাটের গুরুত্ব বেড়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, পাট এমন এক পণ্য যার চাহিদা শেষ হওয়ার নয়। পাটের সবকিছুই কাজে লাগানো যায়। পাট গাছ ও এটার আঁশ এবং পাতার বহুমুখী ব্যবহার হয় এখন। পাট ও চামড়ার সংমিশ্রনে বিভিন্ন পণ্য তৈরি হচ্ছে, সেগুলো বিদেশে রপ্তানিও করা হচ্ছে। আবার পাট শোলার ব্যবহার করে আসবাবপত্র বানানোতে গাছের ওপর নির্ভরতা অনেক কমেছে। যদিও পাটের এক সময় খারাপ সময় আসে, যখন কৃত্রিম তন্তু আবিস্কার হয়। কিন্তু মানুষ এখন সচেতন। যেহেতু পাট পরিবেশবান্ধব, তাই সেটিকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেদিকে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সম্পদ খুবই সীমিত। কাজেই এটিকে কাজে লাগাতে হবে। পাট একসময় রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হতো। আমাদের দেশে সবচেয়ে উন্নত মানের পাট চাষ হয়। যাকে সোনালি আঁশ বলা হয়। অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখতে পারে এটি। পাট দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপকভাবে কাজে লাগতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনও বাড়বে।
শেখ হাসিনা বলেন, একটা সময় পাট শিল্পকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো, এটা আমাদের জন্য ছিল খুবই অশুভ সংকেত। পাটকলগুলো শেষ করে দেয়নি সরকার, সেগুলো বেসরকারিকরণে প্রাণ ফিরেছে এ শিল্পে। পুরনো মিলের পাশাপাশি নতুন যন্ত্রপাতি কিনে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে।

























