দেশ বিক্রির চুক্তি আমরা করিনি, কখনো করবোও না:নৌপ্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৭৪ বার পঠিত

ফারুখ খান :
বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিরাপদ বলেই ডেনমার্ক ও সৌদি দেশে আরও বিনিয়োগ করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশ বিক্রি করার চুক্তি আমরা কারো সাথে করিনি, কখনো করবোও না।
শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে দুটি ফিক্সড কনটেইনার স্ক্যানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময়, প্রতিমন্ত্রী ৪ নম্বর গেটে বসানো স্ক্যানার উদ্বোধন ও হস্তান্তর করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী এনবিআর চেয়ারম্যানকে সব বন্দরে স্ক্যানার বসানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার আন্তরিকতায় অনেক স্ক্যানার বসানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে রপ্তানি পণ্যের জন্য দুটি স্ক্যানার বসানোর খবর শুনে প্রধানমন্ত্রী খুশি হবেন। বন্দরের সঙ্গে শুল্ক বোঝাপড়ার অভাব ছিল। কয়েক বছরের অনেক সমস্যা তিন-চার বছরে সমাধান হয়েছে- এটা একটা বড় অর্জন।
তিনি বলেন,দেশের ব্যবসায়ীরা সীমিত সময়ে মুনাফা লাভের চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসছে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর হয়ে গেলে মেরিটাইম সেক্টরে আমরা অন্যরকম উচ্চতায় চলে যাব। বে-টার্মিনালে ১২ মিটার ড্রাফটের জাহজ আসবে। ব্যস্ততা বেড়ে যাবে। এর জন্য অবকাঠামো দরকার। প্রধানমন্ত্রী পায়রা বন্দর করেছেন, গভীর সমুদ্রবন্দর করেছেন। মেরিটাইম সেক্টরে আমরা সি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে। ডেনমার্ক পায়রা বন্দরে বিনিয়োগ করতে চায়। সৌদি আরব আরও বিনিয়োগ করতে চায়। তারা মনে করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিরাপদ। দেশ বিক্রি করার চুক্তি আমরা কারও সঙ্গে করিনি, করবোও না। ডিজিটাল সিস্টেমে মানুষের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০৪১ সালে স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গড়বো আমরা।
এ প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদন হয় ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। সর্বনিম্ন দরদাতা ফাইভ আর অ্যাসোসিয়েটের দরপত্র ওই বছরের ২৯ নভেম্বর মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেয়। ১২ ডিসেম্বর কার্যাদেশ, ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি চুক্তি সম্পাদন এবং ২৭ ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। আইএসপিএসের আলোকে বন্দরের সব রপ্তানি গেটে কনটেইনার স্ক্যানার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলো বন্দর কর্তৃপক্ষ।

























