ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের গার্ড অব অনার প্রদান করে।

এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের শীর্ষ নেতারা আবারও শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি যুদ্ধাহত, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরাও শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও রাজধানীর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শ্রদ্ধা জানান।

ইতিহাস বলে, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের গণহত্যা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বর্বর ঘটনা। পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর ও রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় মিত্ররা।

১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরপরই মিরপুর ও রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে আত্মীয়-স্বজনের লাশ দেখতে পান নিকটাত্মীয়রা। বুদ্ধিজীবীদের নিথর দেহে আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কাউকে একাধিকবার গুলি করা এবং অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করা হয়েছে। শরীরে ক্ষত-বিক্ষত থাকায় প্রিয়জনের লাশ শনাক্তও করতে পারেননি অনেকে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

আপডেট সময় : ০১:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি :

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ১ মিনিটে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের গার্ড অব অনার প্রদান করে।

এরপর আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের শীর্ষ নেতারা আবারও শহীদ সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি যুদ্ধাহত, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যরাও শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ছাড়াও রাজধানীর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা শ্রদ্ধা জানান।

ইতিহাস বলে, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরের গণহত্যা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে জঘন্য বর্বর ঘটনা। পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর ঢাকার মিরপুর ও রায়েরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের লাশ ফেলে রেখে যায় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দেশীয় মিত্ররা।

১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরপরই মিরপুর ও রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে আত্মীয়-স্বজনের লাশ দেখতে পান নিকটাত্মীয়রা। বুদ্ধিজীবীদের নিথর দেহে আঘাতের চিহ্ন, চোখ, হাত-পা বাঁধা, কাউকে একাধিকবার গুলি করা এবং অনেককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করা হয়েছে। শরীরে ক্ষত-বিক্ষত থাকায় প্রিয়জনের লাশ শনাক্তও করতে পারেননি অনেকে।