ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ৩৫৬ বার পঠিত

একটি এলএনজিবাহী জাহাজ/ফাইল ছবি

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।

ট্যাগস :

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।