ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানা থেকে কমপ্রেসর ও পাইপ জব্দ Logo সিএমপির ডিবি বন্দর বিভাগের অভিযানে ৪০ লাখ টাকার আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ জরুরি সাধারণ সভা ও নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ Logo ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬ ১৬২ বার পঠিত

একটি এলএনজিবাহী জাহাজ/ফাইল ছবি

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।

ট্যাগস :

নৌ পথে ও বন্দরে চট্টগ্রামে আসছে প্রায় চার লাখ টন তেল-গ্যাস

আপডেট সময় : ০৩:১৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। রবিবার ।। ০৮.০৩.২০২৬ ।।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দরে পৌছালো পৌনে ৪ লাখ টন তেল-গ্যাস

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে জ্বালানিবাহী জাহাজের বড় চালান। বন্দরে ইতিমধ্যেই আটটি জাহাজ নোঙর করেছে, আর দুইটি জাহাজ পথে রয়েছে, যার সঙ্গে মিলিয়ে মোট তেল-গ্যাসের পরিমাণ পৌনে চার লাখ টনের কাছাকাছি। সোমবার (৯ মার্চ) ওই দুই জাহাজ চট্টগ্রামে পৌঁছাবে। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়ার আগে পারস্য উপসাগরের দেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসব জাহাজ বাংলাদেশের পথে রওনা দেয়। বন্দরে এবং নৌ পথে থাকা জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), দুটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), এবং বাকি চারটি ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্য বহন করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি পণ্য পরিবহন হয়। যুদ্ধের কারণে ওমান উপসাগরের পথেও সরবরাহ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আসা ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজ ইতিমধ্যেই বন্দরে নোঙর করেছে, যা নিয়ে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি রয়েছে। এছাড়া ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের দুটি জাহাজ সোমবার এবং বুধবার বন্দরে পৌঁছানোর কথা। সবমিলিয়ে চারটি এলএনজি বহনকারী জাহাজে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন এলএনজি আছে। জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, এই চারটি জাহাজের বন্দরে পৌঁছানো নিশ্চিত। তবে ‘লিব্রেথা’ নামের আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির মধ্যেই রয়েছে এবং প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। এলপিজি আমদানি করা হয় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে। রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছাবে ‘সেভান’ নামের একটি জাহাজ, যা ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি বহন করছে। এর আগে ‘জি ওয়াইএমএম’ জাহাজে ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি এসেছে। এভাবে দুটি জাহাজে মোট এলপিজি রয়েছে ৪১ হাজার ৪৮৮ টন। ডিজেলের মজুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্দরের পথে রয়েছে ‘এসপিটি থেমিস’ নামে ৩১ হাজার টনের একটি জাহাজ, যা ১২ মার্চ বন্দরে পৌঁছাবে। মালয়েশিয়া থেকে ‘হুয়া সুন’ নামের একটি জাহাজ ১৪ হাজার টন কনডেনসেট নিয়ে এসেছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর থেকে দুইটি জাহাজে ৪০ হাজার টন ফার্নেস তেল এসেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত ৪ মার্চ বন্দরে এলপিজি ও ডিজেল বহনকারী দুটি জাহাজ এসে পৌঁছেছিল। এই জাহাজগুলো যথাক্রমে ‘ওরিয়েন্টাল গ্রিনস্টোন’ ও ‘পল’, যা তেল-গ্যাস খালাস করার পর শুক্রবার বন্দর ত্যাগ করেছে।