ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

ঈদের বাজারে প্রাণফুলেছে বেইলি রোড

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৪২৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ০৭.০৩.২০২৬ ।।

ঈদুল ফিতরের আগে বেইলি রোডে জমজমাট কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বেইলি রোডে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় পোশাকে সাজানো ফ্যাশন হাউজ এবং পোশাকের দোকানগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে। বেইলি রোডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষে নতুন কালেকশন এসেছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেট, আর্টিসান, ইয়েলো, ইনফিনিটি এবং টাঙ্গাইল তাঁত ঘরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য পোশাকের বিস্তৃত আয়োজন দেখা যাচ্ছে। দোকানগুলোতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তা, ফতুয়া এবং শিশুদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সী মানুষের জন্য বিকল্প রয়েছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেটের ‘ঢাকা-শু’তে দেশি ও বিদেশি জুতার কलेकশন উপলব্ধ। দেশি জুতার দাম শুরু ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, ভারতীয় জুতা ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চাইনিজ জুতা ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বেইলি রোডের ‘জেমস গ্যালারি’ ও ‘অনিকা কালেকশন’-এ বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। থ্রি-পিসের দাম ১,২০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের শাড়ির দাম ৯০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। শোরুম কর্মীরা জানান, ১০ রমজানের পর ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। বিকেলের দিকে ইফতারের আগে এবং সন্ধ্যার পর বিক্রির চাপ সর্বাধিক থাকে। হিরক, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের বিক্রয়কর্মী, বলেন, “আমাদের শাড়ি ঐতিহ্যবাহী। ক্রেতাদের একটি অংশ নিয়মিত আমাদের কাছে আসে।” অনিকা কালেকশনের বিক্রয়কর্মী জানান, সব বয়সের জন্য থ্রি-পিস রয়েছে, তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি  ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের মান ও ডিজাইন ভালো হলেও দাম কিছুটা বেশি। মালিবাগের তৌহিদুর রহমান বলেন, “খিলগাঁও এবং বেইলি রোডে সাধারণত শপিং হয়। এবার বেইলি রোডে এসেছি। এখানে বাজেটের মধ্যে শপিং কিছুটা কঠিন, তবে শাড়ি মোটামুটি মধ্য বাজেটের মধ্যে পাওয়া যায়।”

ট্যাগস :

ঈদের বাজারে প্রাণফুলেছে বেইলি রোড

আপডেট সময় : ০৪:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। শনিবার ।। ০৭.০৩.২০২৬ ।।

ঈদুল ফিতরের আগে বেইলি রোডে জমজমাট কেনাকাটা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বেইলি রোডে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় পোশাকে সাজানো ফ্যাশন হাউজ এবং পোশাকের দোকানগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মুখর হয়ে উঠেছে। বেইলি রোডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঈদ উপলক্ষে নতুন কালেকশন এসেছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেট, আর্টিসান, ইয়েলো, ইনফিনিটি এবং টাঙ্গাইল তাঁত ঘরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য পোশাকের বিস্তৃত আয়োজন দেখা যাচ্ছে। দোকানগুলোতে শাড়ি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, কুর্তা, ফতুয়া এবং শিশুদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সী মানুষের জন্য বিকল্প রয়েছে। সিরাজ ক্যাপিটাল মার্কেটের ‘ঢাকা-শু’তে দেশি ও বিদেশি জুতার কलेकশন উপলব্ধ। দেশি জুতার দাম শুরু ৭০০ থেকে ৪ হাজার টাকা, ভারতীয় জুতা ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা এবং চাইনিজ জুতা ১,৫০০ থেকে ৩,৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। বেইলি রোডের ‘জেমস গ্যালারি’ ও ‘অনিকা কালেকশন’-এ বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা দেখা গেছে। থ্রি-পিসের দাম ১,২০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের শাড়ির দাম ৯০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। শোরুম কর্মীরা জানান, ১০ রমজানের পর ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। বিকেলের দিকে ইফতারের আগে এবং সন্ধ্যার পর বিক্রির চাপ সর্বাধিক থাকে। হিরক, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের বিক্রয়কর্মী, বলেন, “আমাদের শাড়ি ঐতিহ্যবাহী। ক্রেতাদের একটি অংশ নিয়মিত আমাদের কাছে আসে।” অনিকা কালেকশনের বিক্রয়কর্মী জানান, সব বয়সের জন্য থ্রি-পিস রয়েছে, তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি  ক্রেতারা বলছেন, পোশাকের মান ও ডিজাইন ভালো হলেও দাম কিছুটা বেশি। মালিবাগের তৌহিদুর রহমান বলেন, “খিলগাঁও এবং বেইলি রোডে সাধারণত শপিং হয়। এবার বেইলি রোডে এসেছি। এখানে বাজেটের মধ্যে শপিং কিছুটা কঠিন, তবে শাড়ি মোটামুটি মধ্য বাজেটের মধ্যে পাওয়া যায়।”