ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

জাবির সিনেট নির্বাচনে ভোট গ্রহণে অব্যবস্থাপনা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৩ ২১৬ বার পঠিত

জাবি প্রতিনিধি:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সিনেটের শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকরা। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ দুপুর দেড়টায় শেষ করার কথা ছিলো। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর আড়াইটায় ভোটগ্রহণ চলছিল।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পূর্বনির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি ভোটের মধ্যে প্রায় ৪৫০ জনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে উপাচার্যের সমর্থনপুষ্ট আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ নামে একটি এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের একাংশ মিলে ‘শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’ নামে অপর একটি প্যানেল ঘোষণা করেছে। সিনেটে ৩৩টি আসনের বিপরীতে দুটি প্যানেল থেকে ৩৩ জন করে ৬৬ জন ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ২ জন শিক্ষক মিলে মোট ৬৮ জন শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এর মধ্যে শিক্ষক ঐক্যপরিষদ প্যানেলে ২৭ জন বিএনপিপন্থি এবং ৬ জন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছিলো। ফলে নির্বাচনের ভোটাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন করায় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, এর আগে স্বাভাবিক ভাবেই আমরা এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হইনি। নির্বাচনের দুইটি প্যানেল থেকেই আমাদেরকে ভোট গ্রহণের বুথ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে। আমরা তাৎক্ষনিক ভাবে পাঁচটি বুথ বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অব্যবস্থাপনার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ প্যানেলের সদস্য সচিব ও পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আলমগীর কবির বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা গতকাল নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে অভিহিত করেছি এবার ৬৮ জন প্রার্থী আছে। সবাইকে ভোট দিতে হলে গতানুগতিক দশটি বুথের পরিবর্তে বিশ বুথ স্থাপনের কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের প্রস্তাব বিবেচনাও করেনি। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের নির্ধারিত সময় শেষ কিন্তু এখন দেড় শতাধিক ভোটার এখনো সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছেন।’

অব্যবস্থাপনার বিষয়ে শিক্ষক ঐক্য পরিষদ প্যানেলের সদস্য সচিব ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহছান বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, এর আগে ভোটাররা উৎসাহ নিয়ে যেভাবে ভোট দিতে আসতো সাম্প্রতিককালে এখন সেই চর্চাটি নেই। গনতান্ত্রিক চর্চাটা কমে যাওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও অনিহা পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে একটা হতাশা থেকেই এমন অব্যবস্থাপনা।

উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের ১৯ (১) (জে) ধারা অনুসারে সিনেট সদস্য হিসেবে ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকেন। এসব প্রতিনিধির মেয়াদ তিন বছর হলেও পরবর্তী সিনেটর না আসা পর্যন্ত নির্বাচিতদের বৈধতা থাকে। এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফলে দীর্ঘ আট বছর পর সিনেটের ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

জাবির সিনেট নির্বাচনে ভোট গ্রহণে অব্যবস্থাপনা

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৩

জাবি প্রতিনিধি:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সিনেটের শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকরা। আজ সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ দুপুর দেড়টায় শেষ করার কথা ছিলো। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর আড়াইটায় ভোটগ্রহণ চলছিল।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পূর্বনির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ৬০৯টি ভোটের মধ্যে প্রায় ৪৫০ জনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে উপাচার্যের সমর্থনপুষ্ট আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ’ নামে একটি এবং জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের একাংশ মিলে ‘শিক্ষক ঐক্য পরিষদ’ নামে অপর একটি প্যানেল ঘোষণা করেছে। সিনেটে ৩৩টি আসনের বিপরীতে দুটি প্যানেল থেকে ৩৩ জন করে ৬৬ জন ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে ২ জন শিক্ষক মিলে মোট ৬৮ জন শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এর মধ্যে শিক্ষক ঐক্যপরিষদ প্যানেলে ২৭ জন বিএনপিপন্থি এবং ৬ জন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০টি বুথে ভোটগ্রহণ চলছিলো। ফলে নির্বাচনের ভোটাদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন করায় নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, এর আগে স্বাভাবিক ভাবেই আমরা এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হইনি। নির্বাচনের দুইটি প্যানেল থেকেই আমাদেরকে ভোট গ্রহণের বুথ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে। আমরা তাৎক্ষনিক ভাবে পাঁচটি বুথ বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

অব্যবস্থাপনার বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ প্যানেলের সদস্য সচিব ও পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক আলমগীর কবির বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা গতকাল নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে অভিহিত করেছি এবার ৬৮ জন প্রার্থী আছে। সবাইকে ভোট দিতে হলে গতানুগতিক দশটি বুথের পরিবর্তে বিশ বুথ স্থাপনের কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের প্রস্তাব বিবেচনাও করেনি। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের নির্ধারিত সময় শেষ কিন্তু এখন দেড় শতাধিক ভোটার এখনো সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছেন।’

অব্যবস্থাপনার বিষয়ে শিক্ষক ঐক্য পরিষদ প্যানেলের সদস্য সচিব ও দর্শন বিভাগের অধ্যাপক কামরুল আহছান বাংলাদেশ কণ্ঠকে বলেন, এর আগে ভোটাররা উৎসাহ নিয়ে যেভাবে ভোট দিতে আসতো সাম্প্রতিককালে এখন সেই চর্চাটি নেই। গনতান্ত্রিক চর্চাটা কমে যাওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও অনিহা পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে একটা হতাশা থেকেই এমন অব্যবস্থাপনা।

উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের ১৯ (১) (জে) ধারা অনুসারে সিনেট সদস্য হিসেবে ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি থাকেন। এসব প্রতিনিধির মেয়াদ তিন বছর হলেও পরবর্তী সিনেটর না আসা পর্যন্ত নির্বাচিতদের বৈধতা থাকে। এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফলে দীর্ঘ আট বছর পর সিনেটের ৩৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।