ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান
- আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ৪৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমবার ।। ১১ মে ২০২৬ ।।
দেশে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী জয়া আহসান যৌথভাবে এ রিট দায়ের করেন।
রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ এবং অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
রিটে গাজীপুরে প্রকাশ্যে আসা অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জাতীয় নীতিমালা তৈরির নির্দেশ, অসুস্থ ও জব্দ করা ঘোড়ার নিলাম বন্ধ এবং উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলার দাবিও জানানো হয়।
রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, র্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি তুলা কারখানায় অবৈধ জবাই কার্যক্রমের প্রমাণ মেলে। অভিযানে গুরুতর অসুস্থ ৩৬টি ঘোড়া, আটটি জবাই করা ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিক্রির জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। সেগুলোর মধ্যে অপুষ্টি, সংক্রমণ, খোলা ক্ষত, পোকা সংক্রমণ ও টিউমারের মতো নানা শারীরিক জটিলতা দেখা যায়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মার অস্তিত্ব শনাক্ত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটে আরও বলা হয়, জবাই করা ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল।
























