ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে জেলারের অবহেলায় হাজতির মৃত্যু। Logo ধামরাইয়ে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ৩২৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমবার ।। ১১ মে ২০২৬ ।।

দেশে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী জয়া আহসান যৌথভাবে এ রিট দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ এবং অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

রিটে গাজীপুরে প্রকাশ্যে আসা অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জাতীয় নীতিমালা তৈরির নির্দেশ, অসুস্থ ও জব্দ করা ঘোড়ার নিলাম বন্ধ এবং উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলার দাবিও জানানো হয়।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, র‌্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি তুলা কারখানায় অবৈধ জবাই কার্যক্রমের প্রমাণ মেলে। অভিযানে গুরুতর অসুস্থ ৩৬টি ঘোড়া, আটটি জবাই করা ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিক্রির জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। সেগুলোর মধ্যে অপুষ্টি, সংক্রমণ, খোলা ক্ষত, পোকা সংক্রমণ ও টিউমারের মতো নানা শারীরিক জটিলতা দেখা যায়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মার অস্তিত্ব শনাক্ত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটে আরও বলা হয়, জবাই করা ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল।

ট্যাগস :

ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান

আপডেট সময় : ০৭:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। সোমবার ।। ১১ মে ২০২৬ ।।

দেশে ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী অধিকারকর্মী জয়া আহসান যৌথভাবে এ রিট দায়ের করেন।

রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করবেন ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ এবং অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

রিটে গাজীপুরে প্রকাশ্যে আসা অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ৬০ দিনের মধ্যে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে জাতীয় নীতিমালা তৈরির নির্দেশ, অসুস্থ ও জব্দ করা ঘোড়ার নিলাম বন্ধ এবং উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলার দাবিও জানানো হয়।

রিটকারীদের আইনজীবীরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শুরুতে গাজীপুরে জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, র‌্যাব-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি তুলা কারখানায় অবৈধ জবাই কার্যক্রমের প্রমাণ মেলে। অভিযানে গুরুতর অসুস্থ ৩৬টি ঘোড়া, আটটি জবাই করা ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিক্রির জন্য প্রস্তুত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। সেগুলোর মধ্যে অপুষ্টি, সংক্রমণ, খোলা ক্ষত, পোকা সংক্রমণ ও টিউমারের মতো নানা শারীরিক জটিলতা দেখা যায়। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মার অস্তিত্ব শনাক্ত হওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রিটে আরও বলা হয়, জবাই করা ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছিল।