আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৩:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ৩৪ বার পঠিত

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, নতুন অর্থবছরের বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে দেশের সব পরিবারকে এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এটি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তিনি আরও জানান, গৌরনদী উপজেলায় এদিন ৬০০টি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড হস্তান্তর করা হয়েছে। যেসব পরিবার এখনও এ সুবিধা পায়নি, তাদেরও পর্যায়ক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে বাজেট কার্যকর ছিল, সেটি আগের সরকারের প্রণীত হওয়ায় সেখানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে চলতি অর্থবছরের নতুন বাজেটে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থান করা হয়েছে। এর ফলে আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া সম্ভব হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গড়ে প্রতিটি উপজেলায় প্রায় সাত হাজার পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে।
তিনি আরও জানান, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা।
নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নারীদের শিক্ষিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিবারভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সভায় বক্তব্য শেষ করে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে তিনি বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন।























