ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাজাপুর সদর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী

আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গেলে যুদ্ধটা কে করলো? প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪ ৪৩৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

‘২৫মার্চ আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্ন, তাহলে যুদ্ধটা কে করলো?

বুধবার (২৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিএনপি নেতারা বলছেন, ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাহলে যুদ্ধ কারা করেছিল? কে আনলো বিজয়? মুজিবনগর সরকার গঠন করে শপথ নিয়ে তারা যুদ্ধ পরিচালনা করলেন। সরকারপ্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার গ্রেফতারের পর উপ-রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে সেই সরকারের অধীনে এ দেশে যুদ্ধ হলো।

যারা বলছেন, পালিয়ে গেল- তাহলে যুদ্ধ কে করেছে? জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে চাকরি করেছেন। তিনি এখানে একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যে মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলেন, সেটা কে দিয়েছেন? আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। এটাও অকৃতজ্ঞরা ভুলে যায়।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ এক কদম এগোতে পারেনি। আমি বলি, এক কদম এগোতে দেওয়া হয়নি’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা প্রতিবেশী অনেক দেশের সাহায্য পেয়েছি। আবার পেয়েছি অনেক বড় বড় দেশের বৈরিতা। অবশ্য সে দেশের নাগরিকদের সমর্থনও পেয়েছি। যারা আমাদের স্বাধীনতায় আমাদের সাহায্য করেছে আমরা তাদের সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছি। একমাত্র বাংলাদেশই তা পেরেছে। এতে বাংলাদেশও সম্মানিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কেউ কেউ বলছে গণতন্ত্র নেই। দেশের মোটেও উন্নতি হয়নি। স্বাধীনতার পরও এমন কিছু কর্মকাণ্ড আমরা দেখেছি। জাতির পিতাকে সময় দেয়নি। স্বাধীন হওয়ার পরই শুরু হয়ে গেলো সমালোচনা। নতুন বিপ্লবসহ নানা ধরনের কথা। এদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল- মানুষের মন থেকে জাতির পিতাকে মুছে ফেলা। সফল হয়নি। যার কারণে তাকে থামিয়ে দিতে হত্যার পথ বেছে নেয়।

তিনি বলেন, একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিজয় এনে দেওয়া জাতির পিতার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলে সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলা, সবই তিনি করেছেন। এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি, এর ২৯ বছর ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের। স্বাধীনতার পরপরই মাত্র তিন বছরে একটি স্বল্পোন্নোত দেশ হিসেবে গড়ে তোলেন শেখ মুজিব। আইন, নীতিমালাসহ সবকিছু করে দিয়ে যান। একটি সংবিধান আমাদের উপহার দিয়েছেন। এতে আমাদের প্রতিটি অধিকারের কথা বলা আছে।

 

আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গেলে যুদ্ধটা কে করলো? প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০২:২৫:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

‘২৫মার্চ আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন’- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্ন, তাহলে যুদ্ধটা কে করলো?

বুধবার (২৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিএনপি নেতারা বলছেন, ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাহলে যুদ্ধ কারা করেছিল? কে আনলো বিজয়? মুজিবনগর সরকার গঠন করে শপথ নিয়ে তারা যুদ্ধ পরিচালনা করলেন। সরকারপ্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার গ্রেফতারের পর উপ-রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে সেই সরকারের অধীনে এ দেশে যুদ্ধ হলো।

যারা বলছেন, পালিয়ে গেল- তাহলে যুদ্ধ কে করেছে? জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে চাকরি করেছেন। তিনি এখানে একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যে মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলেন, সেটা কে দিয়েছেন? আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। এটাও অকৃতজ্ঞরা ভুলে যায়।

‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ এক কদম এগোতে পারেনি। আমি বলি, এক কদম এগোতে দেওয়া হয়নি’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে আমরা প্রতিবেশী অনেক দেশের সাহায্য পেয়েছি। আবার পেয়েছি অনেক বড় বড় দেশের বৈরিতা। অবশ্য সে দেশের নাগরিকদের সমর্থনও পেয়েছি। যারা আমাদের স্বাধীনতায় আমাদের সাহায্য করেছে আমরা তাদের সম্মান ও স্বীকৃতি দিয়েছি। একমাত্র বাংলাদেশই তা পেরেছে। এতে বাংলাদেশও সম্মানিত হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, কেউ কেউ বলছে গণতন্ত্র নেই। দেশের মোটেও উন্নতি হয়নি। স্বাধীনতার পরও এমন কিছু কর্মকাণ্ড আমরা দেখেছি। জাতির পিতাকে সময় দেয়নি। স্বাধীন হওয়ার পরই শুরু হয়ে গেলো সমালোচনা। নতুন বিপ্লবসহ নানা ধরনের কথা। এদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল- মানুষের মন থেকে জাতির পিতাকে মুছে ফেলা। সফল হয়নি। যার কারণে তাকে থামিয়ে দিতে হত্যার পথ বেছে নেয়।

তিনি বলেন, একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিজয় এনে দেওয়া জাতির পিতার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলে সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলা, সবই তিনি করেছেন। এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি, এর ২৯ বছর ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের। স্বাধীনতার পরপরই মাত্র তিন বছরে একটি স্বল্পোন্নোত দেশ হিসেবে গড়ে তোলেন শেখ মুজিব। আইন, নীতিমালাসহ সবকিছু করে দিয়ে যান। একটি সংবিধান আমাদের উপহার দিয়েছেন। এতে আমাদের প্রতিটি অধিকারের কথা বলা আছে।