ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চূড়ান্ত সমঝোতায় ইরান পেতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা-সুবিধা Logo মার্কিন নীতিতে পরিবর্তন, বাজারমূল্যে তেল বিক্রির সুযোগ পাচ্ছে ইরান Logo ৫-৭ খাতেই বদলে যেতে পারে রপ্তানি অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত Logo  জলাশয় ও  শিশু সুরক্ষায় সাত দফা প্রস্তাবনা প্রকাশ করল সামাজিক সংগঠন ‘ঢেউ’ Logo রাজাপুরে খালের জরাজীর্ণ ব্রিজের লোহার বিম নড়বড়ে; বাঁশ-সুপারী গাছ দিয়ে চলছে পারাপার Logo নীলফামারীর ডিমলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন  Logo গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের ৩০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার Logo কিশোরগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলা, চেয়ারম্যানসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলোচিত শিপ্রা রানী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন 

লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে মৌসুমী ফলের বাজার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ১৬৭ বার পঠিত

মুসফিকুর রহমান সৈকত, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে লক্ষ্মীপুরে বেশিরভাগ বাজারগুলোতে মৌসুমী ফল বিক্রেতাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন মৌসুমী ফলের স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা ফল দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ব্যবসা এতদিন মন্দা হলেও এ সপ্তাহে তাদের বিক্রি বেড়েছে। মৌসুমী এসব ফলে কেমিক্যাল মেশানো হয়না। কেননা কেমিক্যাল মেশালে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এসব ফল পঁচে যায় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে প্রচন্ড তাপদাহের কারণে মৌসুমী ফল নষ্ট হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার সদর উপজেলার বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা চন্দ্রগঞ্জ, বশিকপুর, দত্তপাড়া, জকসিন, রায়পুর পৌর শহর, হায়দরগঞ্জ, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট, করুণানগর, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, রামগঞ্জ পৌর শহরসহ প্রায় সব বাজারে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেড়েছে। এসব ফলের মধ্যে কাঁঠাল আকারভেদে ১০০-১৫০ টাকা, মন্ডল প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকা, দেশীয় আম প্রতিকেজি ১৫০-১৬০ টাকা, পাহাড়ী আনারস প্রতিপিছ ৩০-৩৫ টাকা, বাঙ্গি প্রতিপিছ ৫০-৬০ টাকা, লিচু প্রতিশত ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তায় ও ছোট ছোট বাজারে এবং মোড়ে মোড়ে রিকশা ভ্যানে ফেরি করে দেশী জাতের আম, আনারস, কাঁঠাল, মন্ডলসহ মৌসুমী ফল বিক্রি হচ্ছে।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া বাজারের আম ব্যবসায়ী আনারুল হক জানান, বৃষ্টি না থাকায় তাপদাহে গ্রামাঞ্চলের গাছের আম অনেকটাই ঝরে গেছে। ঝরে পড়া এসব আম পাইকারি কিনে তিনি ভ্যানে ফেরি করে খুচরা বিক্রি করছেন। আধাপাকা আম প্রতিকেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। এগুলো অনেকে আমসত্ত্ব ও চাটনি করে খাওয়ার জন্য কিনেন।
সদর উপজেলার মান্দারী বাজারে ফল কিনতে এসেছেন স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম। তিনি জানান, মৌসুমের শুরুতে মৌসুমী ফলের প্রতি সবারই আকর্ষণ থাকে। দাম এখন কিছুটা বেশি হলেও বাচ্চাদের জন্য আম ও লিচু কিনেছেন। তবে ফলের বাজার যাতে রাসায়নিক কেমিক্যাল (ফরমালিন) মুক্ত থাকে সেজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার রাখার দাবি জানান তিনি।

শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকার ফল বিক্রেতা মাসুদ জানায়, জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরতে এতদিন বেচাকেনা তেমন ছিল না। প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তরমুজ ও বাঙ্গি পচে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে এসে মৌসুমী ফলের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে বলে জানালেন এই বিক্রেতা।

লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে মৌসুমী ফলের বাজার

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

মুসফিকুর রহমান সৈকত, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে লক্ষ্মীপুরে বেশিরভাগ বাজারগুলোতে মৌসুমী ফল বিক্রেতাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন মৌসুমী ফলের স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা ফল দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ব্যবসা এতদিন মন্দা হলেও এ সপ্তাহে তাদের বিক্রি বেড়েছে। মৌসুমী এসব ফলে কেমিক্যাল মেশানো হয়না। কেননা কেমিক্যাল মেশালে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এসব ফল পঁচে যায় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে প্রচন্ড তাপদাহের কারণে মৌসুমী ফল নষ্ট হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার সদর উপজেলার বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা চন্দ্রগঞ্জ, বশিকপুর, দত্তপাড়া, জকসিন, রায়পুর পৌর শহর, হায়দরগঞ্জ, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট, করুণানগর, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, রামগঞ্জ পৌর শহরসহ প্রায় সব বাজারে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেড়েছে। এসব ফলের মধ্যে কাঁঠাল আকারভেদে ১০০-১৫০ টাকা, মন্ডল প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকা, দেশীয় আম প্রতিকেজি ১৫০-১৬০ টাকা, পাহাড়ী আনারস প্রতিপিছ ৩০-৩৫ টাকা, বাঙ্গি প্রতিপিছ ৫০-৬০ টাকা, লিচু প্রতিশত ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তায় ও ছোট ছোট বাজারে এবং মোড়ে মোড়ে রিকশা ভ্যানে ফেরি করে দেশী জাতের আম, আনারস, কাঁঠাল, মন্ডলসহ মৌসুমী ফল বিক্রি হচ্ছে।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া বাজারের আম ব্যবসায়ী আনারুল হক জানান, বৃষ্টি না থাকায় তাপদাহে গ্রামাঞ্চলের গাছের আম অনেকটাই ঝরে গেছে। ঝরে পড়া এসব আম পাইকারি কিনে তিনি ভ্যানে ফেরি করে খুচরা বিক্রি করছেন। আধাপাকা আম প্রতিকেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। এগুলো অনেকে আমসত্ত্ব ও চাটনি করে খাওয়ার জন্য কিনেন।
সদর উপজেলার মান্দারী বাজারে ফল কিনতে এসেছেন স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম। তিনি জানান, মৌসুমের শুরুতে মৌসুমী ফলের প্রতি সবারই আকর্ষণ থাকে। দাম এখন কিছুটা বেশি হলেও বাচ্চাদের জন্য আম ও লিচু কিনেছেন। তবে ফলের বাজার যাতে রাসায়নিক কেমিক্যাল (ফরমালিন) মুক্ত থাকে সেজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার রাখার দাবি জানান তিনি।

শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকার ফল বিক্রেতা মাসুদ জানায়, জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরতে এতদিন বেচাকেনা তেমন ছিল না। প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তরমুজ ও বাঙ্গি পচে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে এসে মৌসুমী ফলের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে বলে জানালেন এই বিক্রেতা।