ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা কমাতে সহযোগীদের ওপর হামলা না করার সিদ্ধান্ত Logo দেশে প্রথম ২৯ কার্যদিবসেই মেহেরপুরের ধর্ষণ মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড Logo রাজাপুরে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি Logo তরুণদের স্বপ্নের গল্প বলছে ভিভো বাংলাদেশ Logo ২১ মে শেষ সময়, তবু অনিশ্চয়তা কাটেনি: দোকান ফিরে পাবেন কি প্রতিবন্ধী রাজ্জাক? Logo লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের নতুন শর্ত Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ Logo নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি Logo ঈদে গাজীপুর সিটিতে ১২ ঘণ্টায় বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ২৭৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।

ট্যাগস :

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।